bangla news

বাজেটে প্রত্যেক মানুষ উপকৃত হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলানিউজ টিম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৬-২৯ ৫:৫১:১১ পিএম
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে:  ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জনবান্ধব, উন্নয়নমুখী ও সুষম’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

তিনি বলেছেন, এই বাজেটে দেশের প্রত্যেকটি মানুষ উপকৃত হবেন। এতে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। 

শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

পড়ুন>>অর্থবছর পরিবর্তন চান বিরোধীদলীয় উপনেতা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি মনে করি দেশের প্রত্যেক নাগরিক এই বাজেটে উপকৃত হবে। ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে উন্নত এবং সমৃদ্ধশালী দেশ প্রতিষ্ঠায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এই বাজেট সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এই বাজেট দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। 

তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন সরকারের সময় বাজেটের বিশাল অংশটিই ছিল বৈদেশিক অনুদান নির্ভর। আমরা সরকার গঠনের পর সেই নির্ভরতা কমিয়ে এনেছি। আমরা আয় বুঝে ব্যয়ের যে বিষয়টি বলা হয়েছে, সেটি বিবেচনা করেই বাজেট দিই। দেশকে আমরা উন্নতির দিকে নিয়ে আসতে পেরেছি বলেই আজকে বাজেটে বৈদেশিক অনুদান শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। 

‘আমরা গত ১০ বছরে মাথা পিছু আয় ১ হাজার ৯৯৯ ডলারে উন্নত করেছি। দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। এই হার অন্তত ১৬ শতাংশে নামিয়ে আনবো- এটা আমাদের লক্ষ্য। প্রবৃদ্ধি যখন উচ্চ আর মুদ্রাস্ফীতি যখন নিম্ন থাকে তখন এর সুফল দেশের মানুষ পায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেটে ঘাটতি সহনশীল। বাজেটে ঘাটতি কখনও বেশি হয় না। মাত্র ৫ শতাংশ ঘাটতি হয়। আমাদের লক্ষ্য আগামী ২০২৩-২৪ সালে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত করা, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৫০ ডলারে উন্নীত করা, অতি দরিদ্র ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা।

‘আজ সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশ ডিজিটাল। আগে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে নিজেরাও দুর্নীতি করেছে। এ কারণে দুর্নীতি সমাজে  ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে।  দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার নীতি হলো জিরো টলারেন্স।’
 
বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। আর এটাই তার অপরাধ। দেশবিরোধী দেশি-বিদেশি ঘাতক চক্র তাকে হত্যা করে। তাদের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশ যাতে পকিস্তানের অধীনস্থ থাকে। 

‘কিন্তু আমাদের লক্ষ্য জাতির পিতার যে লক্ষ্যে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন, সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো। সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার যে প্রস্তাব বাজেটে করা হয়েছে, তা যুগোপযোগী। ব্যাংক ঋণের সুদ এক অংকে নামিয়ে আনতে হবে। সুদ বেশি থাকলে ব্যবসা বাণিজ্য বিকশিত হয় না। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থও আমাদের দেখতে হবে। 

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৬ ঘণ্টা, জুন ২৯, ২০১৯
এসই/এসকে/এমএ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-06-29 17:51:11