ঢাকা, সোমবার, ৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ আগস্ট ২০১৯
bangla news

রিফাত হত্যা মামলা: আসামিদের ধরতে জেলাজুড়ে চেকপোস্ট

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৬-২৭ ১:২৬:৫৯ পিএম
রিফাত শরীফকে কোপানো সময়ের ছবি।

রিফাত শরীফকে কোপানো সময়ের ছবি।

বরগুনা: বরগুনা সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রিফাত শরীফ হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে বিভিন্নস্থানে চেক পোস্ট বসানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকাল থেকেই বরগুনার বিভিন্নস্থানে চেক পোস্ট বসানো হয়।  

বরগুনা পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন বাংলানিউজকে জানান, রিফাত হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বরগুনার বিভিন্নস্পটে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এছাড়া এ হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, রিফাত হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরগুনা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সরকারী কলেজ রোডে স্ত্রীর সামনে স্বামী রিফাতকে কুপিয়ে জখম করে সাবেক স্বামী নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা।

>>>আরও পড়ুন...সন্ত্রাসীদের সঙ্গে লড়েও স্বামীকে বাঁচাতে পারলেন না

গুরুতর আহত রিফাতকে প্রথমে বরগুনা সদর হাসপাতাল ও পরে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জন নামভুক্ত আসামি ছাড়াও আরও অজ্ঞাত ছয়-সাত জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে এ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করে।

জানা যায়, রিফাতের হত্যা মামলার প্রধান আসামি অভিযুক্ত নয়ন এক সময় ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। ২০১১ সালে বরগুনা জিলা স্কুল থেকে তারা এসএসসি পাস করেন।

এরপর ২০১২ সালে প্রায় ১২ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য নিয়ে প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে নয়ন। বর্তমানে বরগুনা থানাসহ বিভিন্ন থানায় নয়নের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩২৪ ঘণ্টা, জুন ২৭, ২০১৯
এনটি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   বরগুনা রিফাত হত্যা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-06-27 13:26:59