ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৩ জুলাই ২০১৯
bangla news

সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী মনিরুল হত্যায় ৯ জনের ফাঁসি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৬-২০ ২:৩৪:৪৫ পিএম
ফাঁসি/প্রতীকী

ফাঁসি/প্রতীকী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম হত্যা মামলায় ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানাও করেছেন আদালত। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( জুন ২০) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শওকত আলী ৮ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় সাজ্জাপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩ জন পলাতক রয়েছেন।
 
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শিবগঞ্জ উপজেলার বালিয়াদিঘী গ্রামের আখেরুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম, চতুরপুর গ্রামের তোহরুল ইসলাম ওরফে টুটুল, রসিকনগর গ্রামের আব্দুল মালেক ও সিরাজুল ইসলাম ওরফে সেন্টু, সাহাপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, চরভবানীপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম ওরফে শরীফ, পারচৌকা গ্রামের মোহাম্মদ মাসুদ, ছত্রাজিতপুরে আব্দুস সালাম। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত দু'জন হলেন- মহারাজপুরে মাসুদ ওরফে লালচান ও রাজশাহীর বেলপুকুর গ্রামের পারুল বেগম।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ জনকে দুই লাখ টাকা করে জরিমান করা হয়। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত দু'জনকে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে একবছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ৮ জন উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাসুদ ও আব্দুস সালাম এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পারুল বেগম পলাতক রয়েছেন।

অভিযোগ প্রামাণিত না হওয়ায় বালিয়াদিঘী গ্রামের সেলিম রেজা, বেনাউল ইসলাম, খাইরুল ইসলাম ও ওবাইদুর রহমানকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় তারাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আঞ্জুমান আরা জানান, ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলামকে তার শিয়ালমারা গ্রামের বাড়ি থেকে ওই সংগঠনের তৎকালীন সভাপতি আখেরুল ইসলামসহ অন্যরা দুপুর দেড়টায় ডেকে নিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ স্টেডিয়ামের কাছে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন তার স্ত্রী রহিমা বেগম বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের টাকা ভাগাভাগি ও ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়। 

২০১৫ সালের ১৫ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মতিউর রহমান সিদ্দিকী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৪২২ ঘণ্টা, জুন ২০, ২০১৯
এসএইচ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   চাঁপাইনবাবগঞ্জ
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-06-20 14:34:45