ঢাকা, সোমবার, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৩ আগস্ট ২০২০, ১২ জিলহজ ১৪৪১

জাতীয়

রাজশাহীর ঈদ জামাতে সৌহার্দ্য আর সমৃদ্ধির আহ্বান

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৬-০৫ ০৩:২৬:০৯ পিএম
রাজশাহীর ঈদ জামাতে সৌহার্দ্য আর সমৃদ্ধির আহ্বান ঈদের প্রধান জামাতে রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনসহ অন্যরা। ছবি: বাংলানিউজ

রাজশাহী: হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি আর কূপমণ্ডুকতার বিপরীতে মানবিক মূল্যবোধ আর পরমতসহিষ্ণুতার বারতা ছড়িয়ে দিয়ে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান এসেছে বিভাগীয় শহর রাজশাহীর প্রধান ঈদ জামাত থেকে।

 

বুধবার (০৫ জুন) রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শাহ মখদুম (রহ.) দরগা মসজিদে বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা, বয়সের হাজারো মানুষ দুই হাত তুলে এই মোনাজাত করেন।

বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে কেন্দ্রীয় ঈদগাহের পরিবর্তে মসজিদে ঈদের বিশাল জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত এই ঈদ জামাতে ইমামতি করেন রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ শাহাদাত আলী। সহকারী ইমাম ছিলেন হেতমখাঁ বড় মসজিদের ইমাম মুফতি মালানা ইয়াকুব আলী। বয়ান করেন জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা নাজমুল হক। তাকে সহায়তা করেন মুফতি কারী রেজাউল করিম।

একই সময় ঈদের দ্বিতীয় প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় মহানগর ঈদগাহ (টিকাপাড়া) ময়দানে। তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সাহেব বাজার বড় রাস্তায়। মুসল্লিরা সারিবদ্ধ হয়ে ঈদ-উল-ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেন। ঈদের জামাত শেষে পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সবাই। এ সময় কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান, জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এএকেএম হাফিজ আক্তার ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি-আধাসরকারি কর্মকর্তাসহ সব শ্রেণি-পেশার নানা বয়সী মানুষ অংশ নেন।

অপরদিকে একটি ঈদগাহ উদ্বোধন শেষে নিজ এলাকায় ঈদের জামাত আদায় করেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা।  

প্রধান প্রধান ঈদগাহ ছাড়াও একই সময় রাজশাহী মহানগরীর ১১০টি ঈদগাহ ও তার আশপাশের শতাধিক ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রয়াত বাবা-মা ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনার জন্য বিভিন্ন গোরস্থানে যান এবং কবর জিয়ারত করেন।  

এবার সব ঈদ জামাত ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যারা ঈদ জামাতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন তাদের যেতে হয়েছে তল্লাশির মধ্য দিয়ে। জায়নামাজ ছাড়া আর কিছু যাতে কেউ সঙ্গে না আনেন, সে বিষয়ে আগেই সবাইকে সতর্ক করেছিল মহানগর পুলিশ।

বাংলাদেশ সময়: ১২২৩ ঘণ্টা, জুন ০৫, ২০১৯
এসএস/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa