bangla news

সাড়ে ৩ ঘণ্টা বিলম্বে কমলাপুর ছাড়লো ধূমকেতু এক্সপ্রেস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৬-০২ ১১:১৮:০১ এএম
ঈদ যাত্রায় ভিড় ঠেলে ট্রেনে উঠছেন ঘরমুখো মানুষ। ছবি: শাকিল আহমেদ

ঈদ যাত্রায় ভিড় ঠেলে ট্রেনে উঠছেন ঘরমুখো মানুষ। ছবি: শাকিল আহমেদ

ঢাকা: রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল সকাল ছয়টায়। সেই ট্রেনটি সকাল নয়টার পরেও কমলাপুর স্টেশনের দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ানো ছিল। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা বিলম্ব করে সাড়ে নয়টার দিকে স্টেশন ছাড়ে ধূমকেতু এক্সপ্রেস।

এদিকে চীলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল আটটায় কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়ে যাওয়ার কথা তা ১১টা ৫০ মিনিটে ছাড়বে বলে জানিয়েছে স্টেশন সংশিষ্টরা। এছাড়া খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকাল ছয়টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও তা ছেড়েছে সকাল আটটায়। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। তবে এদিন রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি যথা সময়েই স্টেশন ছেড়ে গেছে।

গত ২৪ মে যারা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার পর কাঙ্ক্ষিত টিকিট হাতে পেয়েছিলেন, সেসব ঘরমুখো মানুষই রোববার (২ জুন) পরিবার-পরিজন নিয়ে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে ঈদ উদযাপন করতে। 

একঘেয়েমি জীবনের সাময়িক বিরতি দিয়ে কর্মজীবী মানুষের সামনে আসে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মুহূর্ত। এ ঐতিহ্য বাঙালির দীর্ঘ দিনের। তাই তো শত ভোগান্তি পেরিয়ে মানুষ ছুটে নাড়ির টানে।কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীরা। ছবি: শাকিল আহমেদসকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। কেউ ব্যাগ হাতে, কেউবা পরিবারের সদস্যদের হাত ধরে ছুটছেন কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের দিকে। ইট-পাথরের শহর ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন তারা। তবে ট্রেনের বিলম্বের কারণে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী পারভেজ আহমদে। তিনি বলেন, স্ত্রী, সন্তান নিয়ে সকাল ৬টার ট্রেন ধরতে সাড়ে ৫টায় স্টেশনে এসেছি। কিন্তু সেই ট্রেন ছাড়লো সকাল সাড়ে নয়টায়। গত ২৪ মে ১৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট পেয়েছি। টিকিট কাটতে এক ভোগান্তি, ট্রেন বিলম্বে আরেক ভোগান্তি। এসব  ভোগান্তি পোহাতে হয় ঘরমুখো মানুষকে। এর কোনো সমাধান আমাদের প্রাপ্য নয়? প্রতিবছরই একই ধরনের ভোগান্তি কেন পোহাতে হবে?কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীরা। ছবি: শাকিল আহমেদচীলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী আনিকা খাতুন বর্ষা বলেন, আমার ভাই সাড়া রাত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টিকিট পেয়েছে অথচ সকালে যাত্রার দিনে ট্রেনটি চার ঘণ্টা বিলম্ব। রোজার দিনে এতো কষ্ট করে দীর্ঘ পথের যাত্রা, মানুষের ভিড়, ট্রেন বিলম্ব এসব ভোগান্তি নিয়ে ঈদে বাড়ি ফিরছি। আর চার ঘণ্টা ট্রেন আসতে দেরি, এটা যাত্রীদের জন্য ভোগান্তির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক বাংলানিউজকে বলেন, যে ট্রেনগুলো দেরিতে এসে কমলাপুরে পৌঁছেছে, সেই ট্রেনগুলোই ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে বেশিরভাগ ট্রেনগুলোই যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সব ট্রেনগুলো যেন যথাসময়ে স্টেশন ছেড়ে যেতে পারে। সব মিলিয়ে আমরা যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসনে সার্বিক সহযোগিতার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশ সময়: ১১১৫ ঘণ্টা, জুন ০২, ২০১৯
এমএএম/আরকেআর/আরআইএস/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   ট্রেন সার্ভিস ঈদে বাড়ি ফেরা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-06-02 11:18:01