bangla news

স্বাধীনতাবিরোধীদের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন শেখ হাসিনা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৫-২৪ ৮:০৮:১৩ পিএম
সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। ছবি: জি এম মুজিবুর

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। ছবি: জি এম মুজিবুর

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে স্বাধীনতার চাকাকে উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। 

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যে মুক্তির সংগ্রাম শুরু করেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই মুক্তির সংগ্রাম নিরন্তর চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (২৪ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
 
বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাবির সাবেক উপাচার্য ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল বাসেত মজুমদার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ( বিএসএমএমইউ) ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) প্রো উপাচার্য এবং বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ড. অধ্যাপক খন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন, ঢাবির পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রশীদ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল হক আলো, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশির উল্লাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সদস্য সচিব অনাথ চন্দ্র রায়।

আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত একটি দেশকে উন্নত দেশের রোল মডেলে পরিণত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিশ্বনেত্রী  স্বীকৃতি পাওয়া জননেত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর স্বাধীনতার চাকাকে উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায় তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বসবাসকারী সবাইকে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার সম্পর্কে জানা দায়িত্ব ও কর্তব্য। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি দেশে ফিরে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর সংগ্রাম করে ক্ষমতায় এসে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তার হাতকে শক্ত করতে দেশের যুব সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এজন্য তাদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বই বিশ্বের বুকে মাথা উচু জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। তিনি যদি দেশে ফিরে না আসতেন তাহলে দেশ পাকিস্তানে পরিণত হতো। তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

উল্লেখ, ইফতার মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ যুব ইউনিট কেন্দ্রীয় কমিটিতে তেজগাঁও কলেজের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলমকে আহ্বায়ক এবং সিটি কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক অনাথ চন্দ্র রায়কে সদস্য সচিব করে যুব ইউনিট কেন্দ্রীয় সংসদের  ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২০০৭ ঘণ্টা, মে ২৪, ২০১৯
জিসিজি/আরআইএস/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2019-05-24 20:08:13