bangla news

বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য গতির যাত্রা অব্যাহত থাকবে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৪-১২ ৯:০৮:০৩ পিএম
সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: সংগৃহীত

সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই অগ্রযাত্রা ও সুখ সমৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সভার শুরুতে দেওয়া বক্তব্যে বাংলা নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একদিন পর বাংলা নববর্ষ। আমি নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা জানাই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ বাংলা নববর্ষ উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করে। এটি বাঙালির বড় উৎসব। এটিকে আনন্দঘন করতে আমি বিশেষ ভাতার ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। বাংলা নববর্ষে নতুন করে বাংলাদেশের মানুষের জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা এবং মানুষের জীবনের সুখ-সমৃদ্ধির ধারাও অব্যাহত থাকবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এদেশের মানুষের দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা যখনই যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে গড়ে তুলছিলেন, মানুষের অর্থনৈতিক জীবন উন্নত হয়ে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে আসছিল, ঠিক তখনই জাতির জীবনে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের আঘাতটা আসে। জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়। এরপর যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তারা চায়নি এদেশ উন্নত হোক, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হোক। যারা দেশের স্বাথীনতাই চায়নি, তারা কেনো চাইবে এদেশ এগিয়ে যাক, মানুষের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসুক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, কেবল তখনই মানুষের জীবনে স্বস্তি আসে, শান্তি আসে। এটা ইতোমধ্যে প্রমাণও হয়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ বছরের মধ্যেই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১২ ভাগে দাঁড়াবে, মানুষের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯০০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। সরকার যে পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনাগুলো নিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ অর্থনেতিকভাবে উন্নত ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে। ২০৪১ সালের মধ্যে এদেশ হবে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। এর আগে ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হবে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে। দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২০-২০২১ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে পালন করা হবে। ইতোমধ্যে জাতীয় কমিটি গঠনের মাধ্যমে কর্মসূচি প্রণয়নে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, বিল্ডিং কোড মেনে এবং মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই ভবনগুলো নির্মাণ করতে হবে। সব দুই নম্বরি কাজ বন্ধ করতে হবে। অগ্নিকাণ্ডের সময় যতো মানুষ সেখানে গিয়েছিল দেখলাম, এত মানুষ অহেতুক ভিড় না করে সবাই যদি এক বালতি করে পানি নিয়ে যেতো তাতেও উপকার হতো। আর সেলফি তোলার মতো ঘটনা সেখানে ঘটছে। সেখানে তো মানুষ মারা যাচ্ছে, সেখানে সেলফি তুলতে হবে কেনো? মানুষ আস্তে আস্তে এ বিষয়েও সচেতন হবে বলে আশা করি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের জন্য উন্নতমানের যন্ত্রপাতি আওয়ামী লীগ সরকারই এনেছে। এখন ২২ তলায়ও পৌঁছে যাওয়ার মতো ক্রেন ফায়ার সার্ভিসের রয়েছে। আগে ছয়তলার বেশি যেতে পারতো না। এগুলো আওয়ামী লীগ সরকারই ক্ষমতায় আসার পর করেছে। জিয়াউর রহমান ও এরশাদ- কেউই করেননি। বিএনপি ক্ষমতায় এসেও করেনি।

বাংলাদেশ সময়: ২১০০ ঘণ্টা, এপ্রিল ১২, ২০১৯
এসকে/টিএ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-04-12 21:08:03