ঢাকা, সোমবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৭ মে ২০১৯
bangla news

বাগেরহাটে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৩-২৩ ৯:৫৯:৫২ পিএম
ভেঙে গেছে বেড়িবাঁধ। ছবি: বাংলানিউজ

ভেঙে গেছে বেড়িবাঁধ। ছবি: বাংলানিউজ

বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরণখোলার বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) মাধ্যমে নির্মাণাধীন পানি উন্নয় বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/১ পোল্ডারের বগী এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। 

শনিবার (২৩ মার্চ) ভোরে পূর্ণিমার প্রভাবে বলেশ্বর নদের জোয়ারে প্রায় ১০০ মিটার বাঁধ সম্পূর্ণ বিলিন হয়ে যায়। সাউথখালী ইউনিয়নের বগী গ্রামের নদী সংলগ্ন পাঁচ শতাধিক কাচা ঘরবাড়িতে জোয়ারের পানি ঢুকে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।

এলাকাবাসী জানায়, রাতে হঠাৎ বেড়িবাঁধ ভেঙে বগী গ্রামের লোকালয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ায় কয়েক’শ বাড়িঘরে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়ে পড়ে। এতে স্বাভাবিক কাজকর্মসহ রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া গবাদি পশু নিয়েও তারা পড়েছেন বিপাকে। 


সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, পরিকল্পনা ছাড়াই একের পর এক বাঁধ নির্মাণের ফলে বেড়িবাঁধের বগী এলাকা বার বার ভাঙছে। ফলে এলাকার মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি এখনই গুরুত্বের সঙ্গে না দেখলে ভবিষ্যতে রয়েছে বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা।

পাউবো’র সিইআইপি প্রকল্পের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে ওই এলাকায় বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। এখানে রিং বাঁধ দিলে তা কোনো কাজে আসবে না। প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় নতুন করে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।

যোগাযোগ করলে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিংকন বিশ্বাস বাংলানিউজকে বলেন, ভাঙনের বিষয়টি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানকে জানানো হবে। এনিয়ে গত দুই বছরে সাতবার বেড়িবাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। আর এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এলাকার মানুষ।

বাংলাদেশ সময়: ২১৫৫ ঘণ্টা, মার্চ ২৩, ২০১৯
এসআরএস

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-03-23 21:59:52