ঢাকা, সোমবার, ৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২২ এপ্রিল ২০১৯
bangla news

মেয়াদের মধ্যে কাজ করার নির্দেশ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০২-১৬ ৪:০৭:১৬ পিএম
কীর্তনখোলা নদীতে জিও ব্যাগ ফেলছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী-ছবি-বাংলানিউজ

কীর্তনখোলা নদীতে জিও ব্যাগ ফেলছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী-ছবি-বাংলানিউজ

বরিশাল: কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনরোধে বরিশাল নগরের বেলতলা থেকে সদর উপজেলার চরবাড়িয়া এলাকা রক্ষা এবং নদীর মধ্যে জেগে ওঠা চর অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের বেলতলার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে জিও ব্যাগ ফেলে এবং দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে এই কাজের উদ্বোধন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম।

এসময় তিনি তাদের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন। পাশাপাশি কাজের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। 

অন্যদিকে এই কাজে কোনো অনিয়ম হলে স্থানীয় জনগণকে প্রতিবাদ এবং গণমাধ্যমকে সেগুলো তুলে ধরার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ড বরিশাল জোনের প্রধান প্রকৌশলী জুলফিকার আলী হাওলাদার, কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনরোধে বেলতলা থেকে চরবাড়িয়া এলাকা রক্ষা প্রকল্পের পরিচালক ও পনি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রমজান আলী প্রামাণিক এবং খুলনা শিপইয়ার্ডের জিএম (প্ল্যানিং) নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন আল ফারুকসহ সংশ্লিস্টরা উপস্থিত ছিলেন। 
 
উল্লেখ্য, প্রকল্পের আওতায় নগরের বেলতলা থেকে চরবাড়িয়া পর্যন্ত ৪ দশমিক ৫১ কিলোমিটার এলাকায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার জিও ব্যাগ ও ১২ লাখ ২০ হাজার সিসি ব্লক ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে কীর্তনখোলা নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ এবং নদীর অন্যপাশে চরবাড়িয়া পয়েন্টে ৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার চর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা রক্ষা করা হবে। 

প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ শ’ ৯ কোটি টাকা। নির্ধারিত ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ শেষে হলে কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনের কবল থেকে স্থানীয় মানুষের সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি নদীর নাব্যতা সংকট দূর হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৩ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৯
এমএস/আরআর

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14