ঢাকা, রবিবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯
bangla news

দেশে বেকার ২৬ লাখ ৭৭ হাজার

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০২-১২ ৭:৩৫:১৫ পিএম
...

...

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সারা দেশে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৭ হাজার বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই বেকারদের মধ্যে ১০ লাখ ৪৩ হাজার শিক্ষিত তরুণ-তরুণী যারা উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস। অর্থাৎ শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার বেকার যুবসমাজকে বেকারত্ব থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে কর্মসংস্থান ও অন্যান্য সুবিধার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে গত ১০ বছরে নানা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতীয় পার্টির সদস্য মুজিবুল হক চুন্নুর অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মেহনতি শ্রমিকদের কল্যাণে সঠিক মজুরি নিশ্চিতরণে বদ্ধপরিকর। সরকারি-বেসরকারি খাতে কর্মরত শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি প্রতি ৫ বছর অন্তর সংশ্লিষ্ট সেক্টরের পক্ষসমূহের চাহিদা অনুযায়ী গঠনপূর্বক নিম্নতম মজুরির হার পুনর্নির্ধারণ করে থাকে। 

তিনি আরো জানান, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত সরকার মোট ৪৩টি শিল্প সেক্টরের মধ্যে ৪০টি সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করেছে। বেসরকারি শিল্প সেক্টরের মজুরি নির্ধারণ বা পুনর্নির্ধারণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামীতে সংশ্লিষ্ট সেক্টরের প্রতিনিধিতের আবেদনের প্রেক্ষিতে বেসরকারি খাতে আরো সাতটি নতুন শিল্প সেক্টরের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

​জিএসপি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে রফতানিতে সমস্যা নেই

বালাদেশ সময়: ১৯২৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯ 
এসকে/এমজেএফ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   সংসদ সংসদ অধিবেশন
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-02-12 19:35:15