bangla news

ধারের ওষুধে চলছে ডিএনসিসি’র মশা নিধন

শাহজাহান মোল্লা, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-১২-১৩ ৯:১৯:৩৩ এএম
মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা। ছবি: বাংলানিউজ (ফাইল ফটো)

মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা। ছবি: বাংলানিউজ (ফাইল ফটো)

ঢাকা: বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত, রাস্তাঘাট, দোকানপাটসহ রাজধানীজুড়ে বেড়েছে মশার উপদ্রব। এনিয়ে নগরবাসীর অভিযোগের অন্ত নেই। কিন্তু যাদের দেখার কথা সেই সংস্থাই চলছে ধারে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছ থেকে ওষুধ ধার করে ঠেকা কাজ চালাচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরেই মাঠে নেই ডিএনসিসি’র মশক নিধন টিম। নগরবাসীর অভিযোগ আগে মাসে দুই-একবার মশা নিধনে ডিএনসিসি’র ফগিং ও স্প্রে কার্যক্রম চোখে পড়লেও এখন তাও দেখা যায় না। ফলে প্রতিনিয়তই মশার উপদ্রব বেড়ে যাচ্ছে।

মশার কামড়ে অতিষ্ট ডিএনসিসির আওতাধীন মিরপুর সাংবাদিক আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আতিকুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, মশার যন্ত্রণায় সন্ধ্যার পর বসে থাকা যায় না। আগে বর্ষার সময় মশা বেশি দেখতাম এখন সব সময় মশা থাকে। মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের লোকদের দেখি না কত মাস তা বলা মুশকিল!

ডিএনসিসি’র ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেওয়ান আব্দুল মান্নান বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের অনেকদিন ধরেই মশার ওষুধের সংকট। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে ৬ হাজার লিটার লার্বিসাইড ধার করেছি। তবে আমরা জানতে পেরেছি ৯ হাজার লিটার ওষুধ এরইমধ্যে ডিএনসিসিতে আনা হয়েছে। সেসব ওষুধ ফিল্ড টেস্ট করে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে ডিএনসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জে. জাকির হাসান বাংলানিউজকে বলেন, মশার ওষুধ এখন পুরাটাই কাউন্সিলরদের দায়িত্বে। আমরা সংগ্রহ করে প্রত্যেক কাউন্সিলরের হাতে দিয়ে দেই, তাদেরই তদারকি করার কথা ফিল্ডে স্প্রে হচ্ছে কি না। আমরাও কেন্দ্রীয়ভাবে তদারকি করি। মশার ওষুধ নেই—কথাটি সঠিক না। বলা আছে ঘাটতির সম্ভাবনা থাকলে একটু হিসেব করে ব্যবহার করতে।

তিনি বলেন, মশার ওষুধ এলে পেতে পেতে মাস খানেক সময় লেগে যায়। কোম্পানির কাছ থেকে ওষুধ কিনে ল্যাবরেটরি থেকে টেস্ট করে আনতে সময় লেগে যায়। তবে এখন মুহূর্তে মশার উপদ্রব বেড়েছে সত্য। আমরা খুব শিগগিরই বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হাতে নেব।

শুধু মিরপুর এলাকা নয়, পুরো রাজধানীজুড়েই মশার উপদ্রব বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। মশা নিধনে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম নিয়ে তীব্র অসন্তোষও রয়েছে জনমনে।

বাংলাদেশ সময়: ০৯১২ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮
এসএম/এমজেএফ

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :  
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2018-12-13 09:19:33