bangla news

সাড়ে ৪ বছর ঝুলিয়ে রেখে চিনি ও খাদ্য শিল্পে নিয়োগ বাতিল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৩-৩০ ৮:৪৩:৩৮ পিএম
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের লোগো

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের লোগো

ঢাকা: নিয়োগ চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পরেও দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর তিনটি পদে নিয়োগ বাতিল করেছে ‘চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন’।

নিয়োগ বাতিল হওয়া পদগুলো হচ্ছে- সহকারী ব্যবস্থাপক (উৎপাদন), সহকারী ব্যবস্থাপক (সম্প্রসারণ/বীজ পরিদর্শন) এবং সহকারী ব্যবস্থাপক (জেনারেল ক্যাডার)।

বুধবার (২৮ মার্চ) করপোরেশনের চিফ অব পার্সোনেল মো. আবুল রফিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ বাতিলের খবর জানানো হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিয়োগপ্রার্থীরা। তাদের অভিযোগ, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একে এম দেলোয়ার হোসেন এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ২৮ অক্টোবর ১০টি পদে প্রথম শ্রেণির ১০৭টি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন। ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষা এবং ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ১০টি পদের মধ্যে প্রথম সাতটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া ২০১৫ সালেই সম্পন্ন হয়। তবে বাকি তিনটি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও পর্যন্ত সম্পন্ন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। এই তিনটি পদের ৬৯টি প্রথম শ্রেণির নিয়োগের ফলাফল ঝুলে আছে দীর্ঘ সাড়ে বছর ধরে।

চাকরিপ্রার্থীরা জানান, নিয়োগপ্রার্থীদের দাবির মুখে দফায় দফায় ফলাফল প্রকাশের তারিখ দেওয়া হলেও তা প্রকাশ করেননি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গত ৫ মার্চ চিনি শিল্প ভবন ঘেরাও ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন নিয়োগপ্রার্থীরা।

পরিস্থিতি শান্ত করতে করপোরশেনের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে জানানো হয়, ২০ মার্চের মধ্যে নিয়োগ সম্পর্কিত সব কার্যক্রম শেষ করা হবে। কিন্তু এরপরও নির্ধারিত দিন ফলাফল প্রকাশ করেনি করপোরেশন।

এসময় দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পোস্টারিং করেন আন্দোলনকারীরা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে চেয়ারম্যান চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাকুরির বয়স শেষ যাওয়া নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিয়োগপ্রার্থীদের অনেকে। এদের একজন মেহেদী হাসান বলেন, আমার লিখিত পরীক্ষা ও ভাইবা ভালো হয়েছিল। আশা করেছিলাম চাকরিটা হবে। কিন্তু এখন শেষ আশাটুকুও নিভে যাচ্ছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের প্রতিবাদে চাকুরিপ্রার্থীরা আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়: ০৬৪১ ঘণ্টা, মার্চ ৩১, ২০১৮
এমআইএইচ/বিএসকে/এনএইচটি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2018-03-30 20:43:38