bangla news
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা

রেজ্জাকুল ও রহিমকে পাঁচ ঘণ্টা জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ চট্টগ্রামে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১১-০৫-২৩ ৯:৪৭:৪৫ এএম

চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ও এনএসআইর সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিমকে জেলগেটে টানা পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

চট্টগ্রাম: চাঞ্চল্যকর দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ও এনএসআইর সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিমকে জেলগেটে টানা পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র চালান খালাসের সঙ্গে জড়িত ‘হাইয়েস্ট অথরিটি’র বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলেও দু’কর্মকর্তা এর উত্তর এড়িয়ে যান বলে সিআইডি সূত্রে জানা গেছে।

সিআইডি ও কারা কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা ফটকে রেজ্জাকুল হায়দার ও আব্দুর রহিমকে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সিআইডি।

বেলা ১২টায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির চট্টগ্রাম জোনের এএসপি মো.মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগারে যান।

মনিরুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ‘তদন্তে পাওয়া বেশকিছু নতুন তথ্য নিয়ে পাঁচ-ছয়টি বিষয়ের উপর তাদের প্রশ্ন করেছিলাম। বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পেয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে তা বলা যাবে না।’

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল সিআইডির আবেদনের পরিপ্র্রেক্ষিতে আদালত দু’জনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের সময় আব্দুর রহিম এনএসআইর মহাপরিচালক ও রেজ্জাকুল হায়দার ডিজিএফআইর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে রেজ্জাকুল হায়দার ওই সংস্থার মহাপরিচালক হন।

রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এ দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে ২০০৯ সালের মার্চে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। এরপর কয়েক দফায় তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এছাড়া দশ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনা নিয়ে আব্দুর রহিম আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।


২০০৪ সালের ১ এপ্রিল রাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) জেটিঘাটে খালাসের সময় দশ ট্রাক সমপরিমাণ অস্ত্র আটক করে পুলিশ।

আটকের পর স্থানীয় কর্নফুলী থানার তৎকালীন ওসি আহাদুর রহমান বাদী হয়ে অস্ত্র আটক ও চোরাচালান আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন। এ দুটি মামলায় আলাদাভাবে চার্জশিটও দাখিল করে পুলিশ।

বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ একেএম শামসুল ইসলামের আদালতে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।

বিচারাধীন অবস্থায় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পিপি এডভোকেট আহসানুল হক হেনার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন।

এরপর রেজ্জাকুল হায়দার ও আব্দুর রহিমসহ এনএসআই, ডিজিএফআই ও সার কারখানা সিইউএফএল এর কয়েকজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি।

সর্বশেষ সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে এ মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায় সিআইডি।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৯ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০১১

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2011-05-23 09:47:45