ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ অক্টোবর ২০১৯
bangla news

নন-ক্যাডারের শূন্যপদ শতভাগ পূরণে বিধি সংশোধন হচ্ছে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১১-০১-০৪ ৮:৫৯:২৬ এএম

নন-ক্যাডার শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করতে সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান ৫০ শতাংশের কোটা বাড়িয়ে শতভাগ করবে সরকার।

ঢাকা: নন-ক্যাডার শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করতে সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান ৫০ শতাংশের কোটা বাড়িয়ে শতভাগ করবে সরকার।

কোটা কম থাকায় পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)’র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও অনেকে এসব চাকরিতে যোগ দিতে পারছেন না।  

এর আগে গত মে মাসে শুন্যপদের ৫০ শতাংশ পূরণের বিধান করে এ বিধিমালা সংশোধন হয়।

সূত্র জানায়, বুধবার সচিবালয়ে ‘প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি’র বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে।

কমিটির অনুমোদন পাওয়া গেলে অর্থবিভাগ ও শূন্য পদ রয়েছে এমন মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে তা কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে সূত্র।

আশা করা হচ্ছে, এর ফলে পিএসসি’র পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংস্থাপন সচিব ইকবাল মাহমুদ এ বিষয়ে বাংলানিউজকে বলেন, ‘আগামীকালের প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকের এজেন্ডা এখনো খুলে দেখা হয়নি।’ এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে দুই লাখ ১০ হাজার ৮০১ টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণীর নন ক্যডার পদ প্রায় ১৮ হাজার। গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক শূন্য পদের বিবরণ উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণের নির্দেশ দেন।

গত বছরের ১০ মে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা-২০১০ সংশোধন করা হয়। এতে বলা হয়, পিএসসি’র পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা ক্যাডার পদে চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ পায়নি তাদের মধ্য থেকে শূন্য পদের বিপরীতে ৫০ শতাংশ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নন- ক্যাডার প্রথম শ্রেণীর শূন্য পদে নিয়োগ পাবেন।

এ ক্ষেত্রে যারা পরীক্ষায় সর্বনি¤œ ৫০ নম্বর বা তার চেয়ে বেশী নম্বর পেয়েছেন তাদের শূন্য পদে নিয়োগের সুপারিশ করবে পিএসসি। তবে সরকার ইচ্ছে করলে জনস্বার্থে ৫০ শতাংশ শূন্যপদ নিয়োগের শর্ত  শিথিল করতে পারবে।

যে কারণে সংশোধন: গত বছরের ২৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের ২৪১টি শূন্যপদ দ্রুত পূরণে বিদ্যমান বিধি শিথিলের জন্য সংস্থাপন সচিবের কাছে প্রস্তাব পাঠায় নির্বাচন কমিশন। প্রস্তাবে বলা হয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র অনুমোদিত ৬১৩টি প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার পদের মধ্যে ২৪১টিই খালি। যা মোট প্রথম শ্রেণীর পদের ৪০ শতাংশ।

জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, হাল নাগাদকরণ, সংশোধন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, পরিমার্জন, প্রস্তুতকরণ এবং বিতরণসহ যাবতীয় কাজে জনবল সংকট রয়েছে। প্রস্তাবে ইসি’র শূন্যপদ পূরণের জন্য বিদ্যমান নিয়োগবিধিতে থাকা নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণীর ৫০ শতাংশ কোটার শর্ত তুলে দিয়ে শতভাগ নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়।

ইসি’র প্রস্তাবের পর সংস্থাপন মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিধি সংশোধনের জন্য গত ২৬ অক্টোবর বৈঠকে বসে। বৈঠকে পিএসসি’র পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে শতভাগ শূন্যপদে জনবল নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এই সংশোধিত বিধি সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বিদ্যমান শূন্যপদে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাবে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না এমন চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিজস্ব বিধি অনুযায়ী নিয়োগের বিধান রাখতে হবে বলে সিদ্ধান্ত দেয় সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৩, ২০১১

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2011-01-04 08:59:26