[x]
[x]
ঢাকা, সোমবার, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
bangla news

নতুন যাত্রায় বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৩-১০-২২ ৯:৩৭:৩৯ এএম

কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (কোইকা) সহায়তায় নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করেছে চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেটিটিসি)।

চট্টগ্রাম: কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (কোইকা) সহায়তায় নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করেছে চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেটিটিসি)।

মঙ্গলবার দুপুরে নতুন নামকরণের ফলক উন্মোচন করেন প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব মো. আলী ও বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি ইয়ান ইয়ং।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহা-পরিচালক বেগম শামছুন নাহারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্টানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোইকা’র ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যান চোং সিক, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অতিরিক্ত মহা-পরিচালক নিজাম উদ্দিন, বাংলাদেশে কোইকার আবাসিক প্রতিনিধি কিম বুক-হী।

বিকে টিটিসি সুত্র জানায়, চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্রটি ১৯৬২ সালে ১১.০৩ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এটির নাম ছিল স্টাফ অ্যান্ড ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার(এসভিটিসি)। তখন এটি সরাসরি শ্রম মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতো। সে সময় প্রশিক্ষনার্থীদের তিন ও ছয় মাসের কোর্স করানো হতো। ১৯৭৬ সালে সরকার এটির দায়িত্ব জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর কাছে হস্তান্তর করে। এরপর এর নামকরণ করা হয় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র(টিটিসি)। বিভিন্ন সময় এর উন্নয়নে আইএলও, জাইকা, জেওসিভি ও ইউএনডিপিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা যুক্ত হয়।

২০০৫ সালে টিটিসিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে যুক্ত হয় কোইকা। তারা টিটিসিকে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নীত করে এবং বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করে। সর্বশেষ ২০১২ সালে তারা এ কেন্দ্রটিকে রিমডেলিং করে। বর্তমানে এটির নাম করণ করা হয়েছে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। নতুন যাত্রার পর এখানে বিভিন্ন মেয়াদে আন্তর্জাতিক মানের ৬টি ট্রেড কোর্সে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

বিকে টিটিসি’র অধ্যক্ষ আবদুল খালেক মিয়া বলেন, ‘এতদিন কোর্সগুলো যুগপোযোগী না হওয়ায় দেশে বিদেশে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে অক্ষম ছিল টিটিসি। বর্তমানে কোয়েকার সহযোগিতায় নতুন আঙ্গিকে বিশ্বমানের জনশক্তি তৈরি করতে কোর্সগুলো সাজানো হয়েছে। টিটিসি’র নতুন যাত্রার ফলে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণে নতুন মাত্রা যোগ হলো। যা বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষায় যুগান্তকারী ভুমিকা পালন করবে।’

বাংলাদেশে সময়: ১৯২১ ঘন্টা, অক্টোবর ২২, ২০১৩

এএএম/টিসি

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14