bangla news

মানব পাচার বন্ধে নতুন আইন হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১২-২০ ৫:০২:২৭ এএম

মানুষ পাচার বন্ধে নতুন আইন তৈরি ও তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন।

ঢাকা : মানুষ পাচার বন্ধে নতুন আইন তৈরি ও তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত খসড়া আইন তৈরি হয়েছে। যাচাই শেষে ‘পূর্ণাঙ্গ আইন’ প্রণয়নে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানব পাচার রোধ সংক্রান্ত পৃথক আইনের খসড়া নিয়ে জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শেরাটন হোটেলের বলরুমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংগঠনের (আইওএম ) যৌথ উদ্যোগে এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেন, ‘মানুষ পাচারের ঘৃণ্য অপরাধটি শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্ব জুড়েই এর ব্যাপকতা রয়েছে। এই মানবতাবিরোধী অপরাধ বিশ্বের বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে অদক্ষ শ্রমিকদের ব্যাপকহারে অভিবাসন বেড়েছে। এর আওতাতেই মিথ্যা প্রলোভনে দরিদ্র শ্রেণীর মানুষ পাচারের শিকার হয়ে থাকেন।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানব পাচার রোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বর্তমান আইনের সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে বলেন, ‘নতুন খসড়া আইনটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলে তা ‘পাচার রোধে’ অনেক বেশি কার্যকর হবে।’

তবে খসড়া আইনের সংশোধন ও পরামর্শ সংযোজনের বেলায় বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে যাতে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক বিবেচনার আহবান জানান মন্ত্রী।

সাহারা খাতুন বলেন, ‘মাইগ্রেশন যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, আবার পাচারকারী অপরাধীরাও যেন ছাড় না পায়, উভয়দিক প্রাধান্য দিয়েই চূড়ান্ত আইন প্রণয়ণ করতে হবে।’

স্বরাষ্ট্র সচিব মো. আব্দুস সোবহান শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত খসড়া আইন বিষয়ক পরামর্শ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. অধ্যাপক এম. শাহ আলম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,  আইওএম এর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (রাজনৈতিক) ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মানব পাচার বিরোধী খসড়া আইনটির বিভিন্ন ধারা-উপধারা উপস্থাপন ও ব্যাখ্যা করেন ড. রেদওয়ানুল হক।

দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া আইনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রশ্ন উত্তর পর্বে অংশ নেন বিচারপতি এম. ইমান আলী, বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আলী, অ্যাডভোকেট ফওজিয়া করিম ও অ্যাডভোকেট সালমা আলী।

দিনব্যাপী এ আলোচনার মাধ্যমে খসড়া আইনটি চূড়ান্তকরণে পরামর্শ প্রস্তাবনা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ সময় : ১৫৪৬ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২০, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2010-12-20 05:02:27