bangla news

শীতলক্ষ্যায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজদের কেউ উদ্ধার হয়নি

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৭-০৪ ৬:৩৯:১৮ এএম

নারায়ণগঞ্জের টানবাজার গুদারাঘাটে শীতল্যা নদীতে রোববার রাতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া ট্রলার ও নিখোঁজ যাত্রীদের কাউকেই সোমবার দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি।

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের টানবাজার গুদারাঘাটে শীতল্যা নদীতে রোববার রাতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া ট্রলার ও নিখোঁজ যাত্রীদের কাউকেই সোমবার দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি।

এ ঘটনায় মহিলা ও শিশুসহ কমপে ২০ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

নিখোঁজ থাকা কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হচ্ছে- নূর হোসেন দেওয়ান, আঁখি আক্তার, ইকবাল, রেহানা, রাসেল, সুমন, শ্যামল, খোকন ও রুবেল।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আহসানুল কবীর জানান, রমনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার আবদুস শহীদের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের ৬ এবং বিআউডব্লিউটিসির ৩ সদস্যের ডুবুরি দল সকাল সাড়ে ৮টায় ফের উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। তবে এখনো কাউকে উদ্ধার করা যায়নি।

এর আগে রোববার রাতের ওই দুর্ঘটনার পর নিখোঁজদের স্বজন ও এলাকাবাসী শীতল্যা নদীতে চলাচলকারী বাল্কহেডে হামলা চালায়। এতে কমপে ৩০ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ১০ জনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও কিনিকে ভর্তি করা হয়।

এদিকে, ট্রলারডুবির ঘটনার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক শামসুর রহমান ও পুলিশ সুপার বিশ্বাস আফজাল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় জেলা প্রশাসক বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে জানিয়েছিলেন, তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আকতার হোসেন বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম.বিডিকে বলেছিলেন, ট্রলারটিতে অন্তত দেড় থেকে দুই শতাধিক যাত্রী ছিল।

ট্রলারের বেশিরভাগ যাত্রী ছিলেন নারায়ণগঞ্জ শহরের হোসিয়ারি-গার্মেন্টস ও দোকানের শ্রমিক। কাজ শেষে তারা বাড়ি ফিরছিলেন।

বাংলাদেশ স্থানীয় সময়: ১৪০১ ঘণ্টা, জুলাই ০৫, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2010-07-04 06:39:18