bangla news

দুর্নীতির অভিযোগে কাপাসিয়া আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক বরখাস্ত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১১-০৬ ১:৪৬:২৭ পিএম

অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ভাইস-চেয়ারম্যান রুহুল আমীনকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

গাজীপুর : অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ভাইস-চেয়ারম্যান রুহুল আমীনকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার স্থানীয় টোক রনেন্দ্র নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজগর রশিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ এমপি।

সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে ব্রিফিংয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাবেক এমপি মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, তাকে দলীয় গঠনতন্ত্রের ৪৬ (ঞ) ধারা মোতাবেক অব্যহতি দেওয়া হয়েছে।  সভাপতি আজগর রশিদ খান জানান, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ীভাবে পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হবে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভূমিদস্যু, কালো টাকার মালিকদের সঙ্গে আঁতাত করে অবৈধভাবে বিপুল অর্থ-বিত্তের মালিক হওয়া। স্থানীয় রায়েদ ইউনিয়নের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্থানীয় সংসদ সদস্য সোহেল তাজের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন মহলের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা আদায় ও সরকারি গজারি বন উজার করা। জাহাঙ্গীর, হারুন, রেহান, নুরুজ্জামানসহ সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত ডাকাতদের পৃষ্টপোষকতা করা। প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং ছাত্রলীগের মধ্যে একাধিক গ্র“প তৈরি করে নিজে এক গ্র“পকে সমর্থন দেওয়া। বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীন পরিবারের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে সংবাদ প্রকাশের অপচেষ্টা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিভিন্ন শিা প্রতিষ্ঠানে শিক নিয়োগ এবং পুলিশে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর, বিভিন্ন সভায় সাংবাদিকদের কটুক্তি করা।

বর্ধিত সভায় সাবেক স্বারষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্য হিসেবে যে সব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকব, সেখানে ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আমীনের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকবে।’

এছাড়াও রুহুল আমীনের হঠাৎ বিপুল পরিমাণ অর্থ, সম্পদের মালিক বনে যাওয়ায় ও মতার দাপট বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার সর্বত্র তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ উঠলে সম্প্রতি দলীয় এক সভায় তার নিজের এবং পরিবারের সম্পদের হিসাব চেয়ে শনিবারের সভায় উপস্থাপনের জন্য বলা হয়। কিন্তু রুহুল আমীন ওই সভার াাগেই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহন না করে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভা পরিচালনা করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উপাধ্য মো. ছানাউল্লাহ।

অন্যান্যের মাঝে কেন্দ্রিয় কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোতাহর হোসেন মোল্লা, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আব্দুল কবির মাস্টার, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মো. আমানত হোসেন খান এবং ১১ ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময় : ২৩৩৩ ঘণ্টা, নভেম্বর ০৬, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2010-11-06 13:46:27