bangla news

ইভটিজিং রোধে ‘ভিক্টিম প্রটেকশন’ আইনের চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৭-০২ ১০:৩৫:০১ পিএম

আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি রোধে নির্যাতিত ব্যক্তির সুরক্ষায় (ভিক্টিম প্রটেকশন) আইন করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

ঢাকা: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি রোধে নির্যাতিত ব্যক্তির সুরক্ষায় (ভিক্টিম প্রটেকশন) আইন করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

শনিবার রাজধানীর মহাখালীতে ব্রাক ইন সেন্টারে “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আইন, ২০১০ (খসড়া), ইভটিজিং তথা  যৌন হয়রানি সংক্রান্ত প্রচলিত আইনের সংশোধন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর সংশোধন” বিষয়ক সেমিনারে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আইন কমিশন আয়োজিত সেমিনারে তিনি আরও বলেন, “হঠাৎ করে ইভ টিজিং খুব বেড়ে গিয়েছে। এর কারণ আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।”

তিনি বলেন, “ যারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে, ভয়ে তাদের পক্ষে অনেক প্রত্যক্ষদর্শীই আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে আসে না। তাই স্বাক্ষীদেরও প্রটেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে।”

সেইসঙ্গে যারা ইভ টিজিং করেন তাদের সংশোধনাগারে নিয়ে সংশোধনের ব্যবস্থা করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আইন কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, কর্মক্ষেত্রে অথবা পাবলিক প্লেসে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য আইন দরকার। পাবলিক প্লেসে নারীরা যেন নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।”

 নারীর মর্যাদা রক্ষাকারী আইনটিকে যুগোপযোগী করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এ বিষয়ক খসড়া আইন শিগগিরই সংসদে পাশ হবে আশা করে বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আমরা আইনের যে নতুন খসড়া তৈরি করেছি, আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সেটা বিল আকারে সংসদে পাশ হবে।”


বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, “নতুন খসড়া আইন অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রীয় জীবনে নারীদের সমান অধিকার মেনে চলা হচ্ছে না। আইন প্রণয়ন তাই সব সময় ফলপ্রসূ হয় না।”

অ্যাডভোকেট ফওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, “ইভ টিজিংয়ের ফলে উন্নয়ন বাধা গ্রস্ত হচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।”

 বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, “ইভ টিজিং ও যৌন হয়রানি আজ ব্যাধির আকার ধারণ করেছে। এর আশু নিরাময় হওয়া প্রয়োজন। প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক সচেতনতাই কেবল যৌন হয়রানি বন্ধ করতে পারবে না। এর জন্য কঠোর আইন দরকার।”

বাংলাদেশ স্থানীয় সময় ১৯২২ ঘণ্টা, জুলাই ৩ ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2010-07-02 22:35:01