ঢাকা, রবিবার, ৮ বৈশাখ ১৪২৬, ২১ এপ্রিল ২০১৯
bangla news

নদ-নদীর পানি বেড়ে কুড়িগ্রামে ১২৯ গ্রাম প্লাবিত

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৬-২৭ ৯:৩৬:৫৯ পিএম

অবিরাম বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমোরসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বেড়ে জেলার ১২৯ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।

কুড়িগ্রাম: অবিরাম বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমোরসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বেড়ে জেলার ১২৯ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।

কুড়িগ্রাম পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল মোস্তফা আসাফউদ্দৌলা জানান, কুড়িগ্রাম সদর, রৌমারী, রাজিবপুর, চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ১২৯টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ২০ হাজার পরিবারের লাধিক মানুষ। তলিয়ে গেছে দেড় হাজার একর পাটতে। রাজিবপুরের কোদালকাটি ইউনিয়নের উত্তর চর সাজাই এলাকায় সোমবার সকালে ২০০ মিটার বাঁধ ভেঙ্গে পানি ঢুকে ডুবে গেছে পাঁচটি গ্রাম ।

অপরদিকে রাজিবপুর, রৌমারী, চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ৯টি গ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৬টি পরিবার গৃহহীন হয়েছে।

সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নে নন্দদুলালের ভিটা রেজি. প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক তলা পাকা ভবন ভাঙ্গনের মুখে পড়ায় সোমবার তা বিক্রি করা হয়েছে বলে জানান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ কুতুব।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা ফেরিঘাট পয়েন্টে ৮৫, ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী পয়েন্টে ৪৫, তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে ৭৫ এবং দুধকুমোরের নুনখাওয়া পয়েন্টে ৯৩ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। এসময়ে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় ১৭০ দশমিক ৫, ধরলা অববাহিকায় ৬২ এবং তিস্তা অববাহিকায় ৪৮ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত বেকর্ড করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, প্লাবিত এলাকার মানুষদের সহায়তায় সোমবার ৯০ মে.টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ স্থানীয় সময়: ১৮০০ ঘণ্টা, জুন ২৮, ২০১০
প্রতিনিধি/বিকে/জেএম

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14