ঢাকা, শনিবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০, ০২ মার্চ ২০২৪, ২০ শাবান ১৪৪৫

জাতীয়

ট্রাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন সায়েম সোবহান আনভীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০৫৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
ট্রাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন সায়েম সোবহান আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের পক্ষে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন | ছবি: শাকিল আহমেদ

ঢাকা: আর্তমানবতার সেবা, শিল্প-বাণিজ্য ও ক্রীড়ায় বিশেষ অবদানের জন্য টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) অ্যাওয়ার্ড পেলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘২৮তম ট্রাব অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের পক্ষে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন।

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য শিক্ষাসাগর সম্মাননা দেওয়া হয় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে। সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়াও চলচ্চিত্র ও সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে মরোণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।

ট্রাব অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের প্রশংসা করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে যারা কাজ করছেন তাদের উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। দেশাত্মবোধ সৃষ্টিতে এই অ্যাওয়ার্ড অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ। যারা পুরস্কার পেয়েছেন তারা অবশ্যই গুণী মানুষ।

তিনি আরও বলেন, আমরা হয়তো অর্থনৈতিকভাবে সম্পদশালী দেশগুলোর মতো সমৃদ্ধ না। হয়তো অর্থনৈতিকভাবে ইউরোপের দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে। কিন্তু আমাদের কৃষ্টি এবং সংস্কৃতিতে পৃথিবীতে সমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে আমরা অন্যতম।



তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের বাংলাসাহিত্য পৃথিবীর সমৃদ্ধ সাহিত্যের একটি। ইউরোপের বাইরে সাহিত্যে যিনি প্রথম নোবেল পুরস্কার পান তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ভারতবর্ষে যিনি চলচ্চিত্রের জন্য বিশ্ব স্বীকৃতি পান তিনি সত্যজিৎ রায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, চলচ্চিত্রে অভিনয় ও পরিচালনায় আমাদের দেশের অনেক শিল্পী আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, পাচ্ছেন। তাদের এই অর্জনকে ধরে রাখতে হলে আমাদের এর উৎকর্ষ সাধন প্রয়োজন। দরকার পরিচর্যা ও স্বীকৃতির। সেজন্য আমি মনে করি এই ধরনের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বায়নের এই সময়ে আমাদের সামনে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ। এর মধ্যে আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব থেকে নিজেদের সংস্কৃতিকে রক্ষা করার অনুরোধ করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। নিজেদের ঐতিহ্য তুলে ধরার আহ্বান করেন তিনি। শিল্প-সংস্কৃতিতে বিশেষ করে নিজেদের মৌলিকত্ব ধরে রাখা এবং তা লালন করার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ‘হাওয়া’, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে মেজবাউর রহমান সুমন, শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে চঞ্চল চৌধুরীকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, নাটক ও টেলিভিশন বিভাগের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রায় ৪৩ জন শিল্পী ও কলাকুশলীদের অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

ট্রাবের সভাপতি সালাম মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলার উপদেষ্টা তাশিক আহমেদ, ট্রাবের সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক হামিদা খানম প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ২০৪৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
এসআর/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।