ঢাকা, বুধবার, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

মনোকথা

জানান আপনার সমস্যা ও মতামত

বিজ্ঞানের ভাষায় অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম

ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১১২০ ঘণ্টা, আগস্ট ১৩, ২০১৪
বিজ্ঞানের ভাষায় অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম ছবি: প্রতীকী

hlw sir
ami ... from ctg. amr age 25 and married. amr problem holo Ami jokhoni ghor theke baire jai thik tokhoni amr khub nervous feel hoi and buk dhorfor Kore, pet betha Kore amr bathroom hoi..er por Ami jokhoni garite uthi tokhon theke gari theke na nama porjonto amr khub beshi tension hoi. mone hoi jeno ai matroi mone hoi amr abar bathroom hobe.ai bujhi gari theke neme jete hobe. Ami ai shob bepare garite khubbi dushchinta kori tai amr buk khub be shi dhorfor Kore and mone hoi jeno ekhoni bathroom hobe....plz sir amk 1ta way bole din jate Kore ai problem ta r na hoi...plz sir amk ans korben plz plz plz sir.

আপনার সমস্যাটা বড় কোনো সমস্যা নয়। তবে অবশ্যই বিব্রতকর ও অস্বস্তিকর।

আরো কিছু তথ্য জানার ছিলো। যেমন কতোদিন যাবৎ সমস্যা, সমস্যা শুরু হওয়ার আগে-পরে অন্য কোনো ঘটনা বা অসুখ হয়েছিলো কিনা? কখনো খিচুঁনি হয়েছে কিনা? অন্য কোনো ওষুধ খেতে হয় কিনা? বাড়ির বাইরে বের হওয়া এবং গাড়িতে ওঠা ছাড়া অন্য সময়গুলো কেমন থাকে। তখন কোনো সমস্যা হয় কিনা? যেকোনো চাপ সামলানোর ক্ষমতা কতটুকু? মানসিক চাপের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার পদ্ধতিগুলো কেমন এবং কতটুকু কার্যকর?

যা হোক, প্রতিটি মানুষের একটা সাধারণ প্রতিক্রিয়া হলো, যখন মানুষ চাপে পড়ে তখন মনের অজান্তে কিছু বিষয় কাজ করতে থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলে অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম।

অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম হলো, এমন একটা পদ্ধতি যেটি অটো অটো অর্থাৎ নিজে থেকেই কাজ করতে থাকে। যার কাজের মধ্যে হচ্ছে শ্বাসপ্রশ্বাস মেইনটেইন করা, পায়খানা-প্রশ্রাব কন্ট্রোল করা, গরম-ঠাণ্ডার অনুভবগুলোকে বোঝা, ভয়-রাগ-দুঃখ-সহ আবেগগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা।

হঠাৎ কোনো ভয় বা ভয়ের কারণে এই অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেমের একটি অংশ দ্রুতই একটিভ হয়ে যায় বা প্রভাব বিস্তার করে। তখন মানুষের এমন সমস্যা হতে পারে। এটি কোনো কোনো মানসিক রোগের কারণেও হতে পারে। একবার দুবার হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু আপনি যেভাবে লিখেছেন তাতে মনে হচ্ছে আপনার ক্ষেত্রে বারবারই হচ্ছে এবং এসমস্যাটি আপনাকে খুবই ভোগাচ্ছে।

যদি আপনার অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকে এবং উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার খুব কিছু বলার না থাকে তবে, আপাতত আপনি সকালে টেবল্যাট -নেক্সিটাল ৫ মিগ্রা নাস্তার পর খেতে পারেন। আপনার সমস্যা কমবে। হাপানী বা ডায়াবেটিস না থাকলে সাথে ট্যাবলেট ইনডেভার ১০ মিগ্রা, সকালে ও রাতে একটা করে খেতে পারেন।

বিশেষ মুহূর্তে নিজের আবেগ বা আবেগ জনিত সমস্যাগুলো কমানোর জন্য আরো অনেক কার্যকর পদ্ধতি রয়েছে। যেহেতু আপনি চট্টগ্রামে থাকেন, সেহেতু চেষ্টা করবেন সরাসরি সেখানে কারো সঙ্গে দেখা করে উপযোগ্য কোনো সাইকোথেরাপি বা রিলাক্সেশন পদ্ধতি শিখে নেওয়ার। সব সময় মনে রাখবেন সরাসরি ডাক্তারের সাথে কথা বলে চিকিৎসা নেওয়াই ভালো। কারণ অন্যকোনো সমস্যা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নেওয়া যায়।


ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
সহযোগী অধ্যাপক, মনোরোগবিদ্যা বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়  

বাংলাদেশ সময়: ১১১০ ঘণ্টা, আহস্ট ১৩, ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa