ঢাকা, সোমবার, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

মনোকথা

বয়স্কদের মানসিক রোগ ও সমস্যা: দ্বিতীয় পর্ব

ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩৩১ ঘণ্টা, নভেম্বর ১০, ২০১৩
বয়স্কদের মানসিক রোগ ও সমস্যা: দ্বিতীয় পর্ব

বয়স মানে কি? রোগ! সমস্যা! প্রতিবন্ধকতা!
কিংবা বয়স কি? কেন বাড়ে!

প্রশ্নগুলো মজার কিংবা সহজ হলেও, উত্তর এতো সহজ করে দেওয়ার মতো নয়। বয়স একটি যৌগিক প্রক্রিয়া।

শরীর ও মনের ভেতর বিভিন্ন পরিবর্তন ও পরিপক্কতার পাশাপাশি, বিশেষ কিছু সিস্টেমের বা অঙ্গের ক্রমশ ক্ষয়ে আসার মধ্য দিয়েই বয়স বাড়ার প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

বয়স কেন বাড়ে কিংবা একটা নির্দিষ্ট বয়সের ফ্রেমে মানুষকে অনেকদিন আটকে রাখা যায় কি না এ নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা।

কেউ কেউ বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এক ধরনের ‘জেনেটিক ক্লক’ এর কথা বর্ণনা করেছেন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীর ও মনের পরিবর্তনগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করছে। যাকে কমানো দরকার কমাচ্ছে, যাকে বাড়ানো দরকার বাড়াচ্ছে।

অন্য একদল বলছে, ‘এইজিং পেসমেকার’, অর্থাৎ এটিও একটি বিশেষ সিস্টেম যা মানুষের ভেতরের পরিবর্তনগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এই দল অবশ্য নার্ভ সিস্টেমের ওপর বেশি জোড় দিয়েছেন। তারা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রেইন এর নিয়ন্ত্রণকারী অংশগুলোর কোষ কমে আসার কারণে, নিয়ন্ত্রিত অংশের কার্য্যক্রমও কমে আসে।

সময়ের সঙ্গে মানুষের ভেতর বায়োলজিকাল বা সাইকোলজিকাল পরিবর্তন হয়। অনেক ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট বয়স পরে প্রয়োজনীয় বা স্বাভাবিক সেল ডিভিশন কমে আসে। সুতরাং গতি ও শক্তি কমে আসবে, সেটা অনুমেয়।

তবে এ পরিবর্তন যে সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হবে, তাও নয়। গতির এই কমতি একেক মানুষের ক্ষেত্রে একেক বয়সে শুরু হলেও, সাধারণত ৪০ এর কাছাকাছি সময় থেকেই তা শুরু হতে দেখা যায়। m62

এখানে একটি কথা বলে রাখা ভালো এই পরিবর্তনকে আমরা যদি অসুস্থতা ধরি, তবে সেটা মস্ত বড় ভুলই হবে। আমরা এটা সবাই জানি, একজন খেলোয়াড়ের সাধারণত কোনো একটা বয়সে খেলায় ক্ষিপ্রতা কমে আসে। গতি কমে আসে এবং তার পারফরমেন্সে ভাটা পরে। বিষয়টাকে নিশ্চয়ই আমরা রোগ বা অসুখ বলবো না। তেমনি বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আসা পরিবর্তন গুলোকেও আমরা স্বাভাবিক ভাবেই নিতে চেষ্টা করবো।

বয়স বাড়ার এই প্রক্রিয়াকে বৈজ্ঞানিক ভাবে ‘নরমাল এইজিং’ বলা হয়ে থাকে। নরমাল এইজিং হলো বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক মানসিক পরিবর্তনের একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া।

বয়স্ক মানুষের মানসিক রোগ পরিস্থিতি:
পরিবর্তিত শরীর কাঠামো ও বিভিন্ন রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে যেহেতু একজন বয়স্ক মানুষ তার পূর্বের পরিস্থিতি ধরে রাখতে পারেন না, কিছুটা ধীর হয়ে আসেন চলফেরা বা চিন্তা চেতনায়, সেসব কারণে অনেক সময় এসব পরিবর্তনকে রোগ বা অসুস্থতা হিসেবে ধরে নিয়ে আমরা ভুল করে থাকি।

পূর্বেই বলা হয়েছে, শরীরের এসব পরিবর্তন একটি সাধারণ প্রক্রিয়া মাত্র। জীবনের শুরুতে যেসব পরিবর্তন মানুষের গতি বৃদ্ধি করে, বার্ধক্যে সেসব পরিবর্তনই আবার গতি হ্রাস করে দেয়।

অনেক ক্ষেত্রে আবার তার উল্টোটিও দেখা যায়। দেখা যায় সত্যি সত্যিই কোনো রোগ তাঁকে পেয়ে বসলেও, সেসব সাধারণ পরিবর্তনের কথা মনে করে প্রকৃত অসুস্থতাকেও আমরা আমলে আনতে চাই না। মনে করি, বয়স বেড়ে গেছে এখন এমন একটু আটটু তো হতেই পারে। পরিবারের অন্যান্য মানুষের এ ধরনের উন্মাসিকতা অনেক সময় বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষটির জন্য অসহনীয় অবস্থা ডেকে আনতে পারে।

মানুষগুলোর ভেতরের আকুতি আমাদের স্পর্শ করে না। অথচ একটু খেয়াল করলে কিংবা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাটুকু সময় মতো নিলে অনেক দুঃখ আর মানসিক যাওনা থেকে তারা মুক্তি পেতেন।

2klবয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের কি কি পরিবর্তন হয়ে থাকে:
নরমাল এইজিং প্রসেসের আওতায় শরীরের যেকোনো অঙ্গেরই পরিবর্তন হতে পারে। চোখ, কান, নাক, ত্বক, জিহ্বার মতো ইন্দ্রিয়গুলোর যেমন পরিবর্তন হয় তেমনি অন্য যেকোনো অঙ্গেরও পরিবর্তন হতে পারে। নার্ভাস সিস্টেম, যৌনবিষয়ক, মাংসপেশী কিংবা হৃদযন্ত্রের কিংবা শিরা-উপশিরায়ও পরিবর্তন আসতে পারে।

বয়োবৃদ্ধ মানুষের মানসিক সমস্যা বা রোগ:
ডিপ্রেশন, অ্যানজাইটি বা উদ্বেগ জনিত সমস্যা, অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিজঅর্ডার, ঘুমের সমস্যা, পেনিক ডিজঅর্ডার কিংবা ডিমেনসিয়ার মতো রোগগুলো প্রায়ই দেখা যায়। এসবের অনকেগুলো অনেকদিন পর্যন্ত চোক্ষের অন্তরালেও থেকে যেতে পারে।

এছাড়া, অর্থাৎ রোগ ব্যতীত কিছু কিছু মানসিক সমস্যা প্রায়ই দেখা য়ায়। ঘুমের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা, ক্ষুধামন্দা, শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাথা, ভুলে যাওয়া বা মনে রাখতে না পারার প্রবণতা, বেশি কথা বলা, শরীরে দুর্বলতা, মাথব্যাথা, মৃত্যুভয়, শরীর কাঁপা, ঘন ঘন জেদ করা, অল্পতেই রেগে যাওয়া, মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা ইত্যাদি।

এসব সমস্যা সব সময় রোগের লক্ষণ হিসেবে প্রকাম পায় তা নয়। কোনো একটি নির্দিষ্ট রোগ ছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে এসব সমস্যার কিছু কিছু থাকতে পারে।

অসহায়ত্ব, একাকিত্ব ও নিজের অস্তিত্বহীনতার অনুভূতি প্রায়ই প্রাত্যহিক জীবনের চলাফেরার ভেতর জেঁকে বসে। নিজেকে মূল্যহীন মনে হয়। বেঁচে থাকাটাকেও অনেক সময় বোঝা মনে হয়।

মানসিক রোগ:
মানসিক রোগ নিয়ে বিভিন্ন কথা চালু আছে। কিভাবে হয়, কাদের হয়, কখন হয়, এসব নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তি আছে। এখানে মূল আলোচনা এসব নিয়ে না হলেও দু’একটি কথা বলে নেওয়া ভালো। মানসিক রোগ অন্য যেকোনো রোগের মতোই। কিছু উপসর্গ থাকে, সময় মতো বোঝা ও চিকিৎসা প্রয়োজন, চিকিৎসায় ভালো হয় এবং যে কারো যে কোনো সময় হতে পারে। আর একটি জরুরি কথা, মানসিক রোগ একটি নয়, শারীরিক রোগের মতোই অনেক এবং সেসব অনেক ভাবেই হতে পারে।

বৃদ্ধ বয়সেও মানসিক রোগ হতে পারে। বরং শারীরিক রোগের মতোই, এই বয়সে মানসিক রোগ বা সমস্যা হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একাকীত্ব, অবহেলা কিংবা রোগ সম্পর্কে বুঝতে না পারার কারণেও সম্ভাবনা বেশি থাকে। বয়স্ক মানুষের আচরণ বা মন-মেজাজের বিশেষ কোনো পরিবর্তন দেখলে অবশ্যই সেটিকে গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। সেটি কোনো রোগের কারণে হবার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। 3-m2

বিশ্ব পরিস্থিতি:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক হিসেবে দেখা গিয়েছে, প্রতি ১ লাখ মানুষের মাঝে ৬৫ ঊর্ধ্ব বয়সের মানসিক রোগীর সংখ্যা ২৩৬ জন, সেখানে ৪৫ থেকে ৬৪ বয়সের মধ্যে তার সংখ্যা ৯৩। আমেরিকায় আরেক হিসেবে দেখা গেছে, প্রায় ১৫ থেকে ২৫ ভাগ বয়স্ক মানুষের মাঝে কোনো না কোনো মানসিক রোগ বিদ্যমান।

প্রথম যে সিস্টেমেটিক স্টাডি করা হয়েছিলো, ১৯৬৪ (Kay et al.1964),  সনে বয়োবৃদ্ধদের সাধারণ মানসিক রোগের প্রকোপ কতো, তাতে মানসিক রোগের যে সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিলো তা হলো, ডিমেনসিয়া ৫.৬%, ডিপ্রেশন ৫.৭%, মেনিক ডিপ্রেসিভ ১.৪%, সিজোফ্রেনিয়া ১.১%, নিউরোসিস ও পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার ১২.৫%।

এই পর্যবেক্ষণ স্টাডিটি করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের নিউক্যাসেল এলাকায়, পরিবারের সঙ্গে বসবাসরত মানুষ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বসবাসরত দুই ধরনের বয়োবৃদ্ধদের ওপর।

শুধু এই পর্যবেক্ষণটিই নয়, পৃথিবীজুড়ে এমন অনেক পরিসংখ্যান বর্তমানে আছে যার প্রায় সব ক্ষেত্রেই দেখা যায় বয়স্ক মানুষের মানসিক রোগ হবার সম্ভাবনা ও সংখ্যা সাধারণ জনসংখ্যা থেকে বেশি।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি:
বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত কোনো স্টাডি বা পরিবসংখ্যান না থাকলেও, ২০০২ সালে ঢাকার একটি ওয়ার্ডে চালিত এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৬৫ ঊর্ধ্বো বয়সের মানুষের মাঝে রোগের পরিমান প্রায় ৩০ভাগ। একশ’ বয়োবৃদ্ধের মধ্যে চালিত এই পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ১৮% ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা, ৭% ডিমেনসিয়াসহ কোনো না কোনো বোধের সমস্যাগ্রস্ত রোগ, অ্যাডজাস্টমেন্ট ডিজঅর্ডার ৩ %, পেনিক ডিজঅর্ডার ১%, সিজোফ্রেনিয়া ১%, যৌনরোগ ১%, নেশার সমস্যা ৩%, এবং মানসিক সমস্যার দরুন বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা বা সোমাটোফর্ম ডিজঅডার ২%।

4m52উক্ত পরিসংখ্যানে মানসিক রোগের পাশাপাশি বেশ কিছু মানসিক সমস্যাও পরিলক্ষিত হয়। যেমন- একশ’ জনের মধ্যে ঘুমের সমস্যা প্রায় ৭৬ জনের মধ্যেই দেখা যায়, ক্ষুধামন্দা ৫৭%, শরীরে ব্যাথা ২৯%, মনে রাখতে না পারার সমস্যা ১৭%, বেশি কথা বলার সমস্যা আছে ১২% মানুষের ভেতর। এছাড়া মাথা ব্যাথা, মৃত্যুভয়সহ আরও বেশ কিছু সমস্যা এ বয়সের মানুষের মাঝে দেখা যায়।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়:
আলাদা কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা নয়, অন্যদের মতোই সাধারণ চিকিৎসা ও সেবা। বরং আলাদা বা একটি পরিকল্পিত নজরদারি তাদের জন্যা থাকা উচিত।

রোগ, রোগের সেবা বা চিকিৎসা পদ্ধতি অন্য দশ মানুষের মতোই তাতে কোনো পার্থক্য নেই, তবে চিকিৎসা প্রয়োগ পদ্ধতিতে অবশ্যই কিছুটা পার্থক্য আছে। কিছু বিষয় মনে রাখলে তাদের জন্য অবশ্যই ভালো হয় বা হবে-

-    ‘বয়স হয়েছে সুতরাং এমন কিছু সমস্যা হবেই’ এমনি না ভেবে বরং, সঠিক সময়ে রোগ বা সমস্যা নির্ণয়ের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও তথ্য জেনে রাখা প্রয়োজন।

-    সঠিক সময়ে চিকিৎসাসহ যেকোনো ধরনের সহায়তার ব্যবস্থা করা।

-    আচরণে বা চিন্তায় অস্বাভাবিক বা কোনো ধরনের অসঙ্গতি দেখা গেলে সেটিকে অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে

-    ‘বয়স কোনো রোগ নয়, বরং কিছু সীমাবদ্ধতা’ সেটি মনে রেখেই তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক ও পেশাগত ব্যবস্থা ও পরিবেশ তৈরি করা।

-    যেসব কাজ ও পরিকল্পনায় প্রত্যক্ষ অংশ নিতেন সেসব বিষয়ে তার মূল্যায়ন যথযথভাবে নিশ্চিত করা।

-    সম্ভব হলে সময়মতো প্রয়োজনীয় বা রুটিনমতো শারীরিক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা করা।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, বিভিন্ন শারীরিক সমস্যাগুলোও নিজে থেকেই মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণও পরীক্ষা -নিরীক্ষাতেও এমনি সম্ভাবনা পাওয়া যায় যে, শারীরিক সমস্যার সাথে মানসিক সমস্যা বা রোগ সরাসরি জড়িত।

সুতরাং শারীরিক সমস্যাগুলোকেও গুরুত্ব সহকারে তদারকির ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা প্রয়োজন। সময় মতো সেসবের চিকিৎসাও জরুরি।

বাংলাদেশের কিছু নিজস্ব ব্যবস্থা:
বাংলাদেশে তথা এই উপমহাদেশে এখনো সামাজিক এবং পারিবারিক বন্ধন অনেক দৃঢ়। এখনো আমাদের সামাজিক কাঠামোতে বয়স্কদের স্থান বা জায়গা বিদ্যমান। পারিবারিক কাঠামোতে তারাই এখনো গৃহকর্তা। সিদ্ধান্তদাতা।

কথায় কথায় তারুণ্যকে মেক্সিমাম প্রায়োরিটি, বিশ্বব্যাপী এক মহারথ যেন ক্রমেই দ্রুত ছুটছে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে এর অর্থ বুঝি না। আমার ধারণা, যে যা করে বা করতে পারে তাকেই শ্রেষ্ঠ বলা হোক। কারো অবস্থার অবমূল্যায়ন করে নয়।

বয়স্কদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, আর তাদের সুস্বেস্থ্যের প্রতি নজর রাখার দায়িত্ব সবারই। বয়স মানে অভিজ্ঞতা, মধুর করে তোলা সময়ের স্মৃতিমন্থন।

আপনাদের  মতামত এবং সমস্যার কথা জানিয়ে আমাদের ই মেইল করতে পারেন [email protected] এই ঠিকানায়।


ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব
সহযোগী অধ্যাপক, মনোরোগবিদ্যা বিভাগ    
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

বাংলাদেশ সময়: ১৩২০ ঘণ্টা, নভেম্বর ১০, ২০১৩
এসএটি/আরআইএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa