ঢাকা, রবিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

লন্ডন

ম্যানচেস্টারে চেতনার বৈশাখী আনন্দ উৎসব

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৯০৬ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১৬
ম্যানচেস্টারে চেতনার বৈশাখী আনন্দ উৎসব ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

লন্ডন: ম্যানচেস্টারে বৈশাখ নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী এক আনন্দ উৎসবের আয়োজন করেছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন চেতনা ।

এ বৈশাখী আনন্দ উৎসবে যোগ দেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের শত শত মানুষ।

প্লাটফিল্ড পার্কের অভ্যন্তরে অনিন্দ্যসুন্দর একটা ঝিলকে পেছনে রেখে খোলা আকাশের নীচে কোন রকমের মঞ্চ ছাড়াই আয়োজন করা হয় এ আনন্দ উৎসব।

পার্কের একটা বড় গাছকে কেন্দ্র করে শাপলা আর সূর্যের নান্দনিক ছোয়ায় বৈশাখের এ উৎসবের আয়োজন। ছিলো ঘুড়ি উৎসবেরও আয়োজন। পার্কের ঢালু জায়গায় শত শত শিশু মেতে ওঠে ঘুড়ি উড়াতে।

গত ১৫ মে (রোববার) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এই আনন্দ উৎসব চলে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি ইভান লুইস।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলার লুৎফুর রহমান, কাউন্সিলার আহমদ আলী, কাউন্সিলার আবিদ চৌহান, কাউন্সিলার জাহরা আলজা, ম্যানচেস্টারের সহকারী হাইকমিশনের কনস্যুলার ওয়াহিদুর রহমান টিপু, চেতনা’র সভাপতি সৈয়দ মাহমুদুর রহমান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফারুক যোশী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল হক ওয়েছের, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ নজরুল ইসলাম, গ্রেটার ম্যানচেস্টার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আব্দুল নাসের ওয়াহাব, হাইড বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নাসির খান সুয়েব,সংস্কৃতি কর্মী মীর গোলাম মোস্তফা, মুরতাহিন বিল্লাহ চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিজান, আলমগীর চৌধুরী, ছুরাবুর রহমান, মইনুল আমিন বুলবুল, সিদ্দিকা রহমান।

ম্যানচেস্টারে আউটডোরে এই প্রথম বাঙালিদের প্রাণের বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠান হয়েছে। চেতনা ইউকে’র পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে প্রতি বছর ম্যানচেস্টারের যে কোন পার্কে খোলা আকাশের নীচে আরও বড় করে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হবে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন চ্যানেল আই’র তৈয়বুর রহমান শ্যামল, চ্যানেল এস’র শাহ কাইয়ুম, বাংলা টিভি’র গৌছুল ইমাম চৌধুরী, অনামিকা শিল্পী গোষ্ঠীর ফেরদৌসী হক লিপি, মীর আবুল কাশেম, এলসিবি’র নাজমা ইয়াসমিন, সুর সাগর সাংস্কৃতিক সংগঠনের ছকন উল্লাহ, জিল্লুর রহমান, রুহুল আমিন চৌধুরী, আমেনা ওয়েছ, সালেহা চৌধুরী, উম্মে চৌধুরী, রেহানা বেগম।

এই উৎসবে ছিলো বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী রকমারী খাবারের আয়োজন। সবশেষে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৩ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১৬
জিসিপি/আরআই

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa