ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মাঘ ১৪২৭, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

লন্ডন

হাইকমিশন-সাংবাদিকদের প্রয়াসের বিকল্প নেই

লন্ডন করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬১০ ঘণ্টা, জুন ১০, ২০১৫
হাইকমিশন-সাংবাদিকদের প্রয়াসের বিকল্প নেই ছবি : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

লন্ডন: মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে বিদেশিদের কাছে তুলে ধরতে লন্ডনে কর্মরত বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের সদ্য দায়িত্ব গ্রহণকারী মিনিস্টার  (প্রেস), বিশিষ্ট সাংবাদিক নাদিম কাদির।

তিনি বলেন, নিজ মাতৃভূমিকে বিদেশিদের সামনে ঠিকমতো মেলে ধরতে হাইকমিশন ও স্থানীয় সাংবাদিকদের যৌথ প্রয়াসের কোনো বিকল্প নেই।



স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেলে পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় ও নৈশভোজে মিলিত হয়ে তিনি এ সহযোগিতা চান।

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাপ্তাহিক জনমত-এর সম্পাদক নবাব উদ্দিনের সঞ্চালনায় নৈশভোজের আগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়ে নবনিযুক্ত প্রেস মিনিস্টার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন।

শুরুতে স্থানীয় বাংলা মিডিয়া সম্পর্কে নবনিযুক্ত প্রেস মিনিস্টারকে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক চৌধুরী।

হাইকমিশনের প্রেস সেকশনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশে নাদিম কাদির বলেন, এই সীমাবদ্ধতার ভেতরও আমাদের সাম্প্রতিক অর্জনগুলো বিদেশি ও এখানে বেড়ে ওঠা আমাদের এই প্রজন্মের কাছে ঠিকমতো তুলে ধরা সম্ভব, যদি আপনাদের সহযোগিতা পাই।

তিনি বলেন, আমি বলছি না যে, শুধুই সরকারের পক্ষে লিখবেন বা বিরোধিতা করবেন না; আমি বলছি, দেশের অব্যাহত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলোও যেন নিয়মিত আপনাদের প্রচারমাধ্যমগুলোতে স্থান পায়।

প্রেস মিনিস্টার বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, জাতিসংঘের সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ অনেক দেশের কাছে রোল মডেল। আমাদের এই অর্জনগুলো সম্পর্কে বিদেশে বেড়ে ওঠা এই প্রজন্ম যখন জানবে, তখন দেশের প্রতি তাদের মধ্যে যে আলাদা একটি অনুভূতি জন্ম নেবে, বাংলাদেশকে উন্নতির চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সেই অনুভূতিই হবে আমাদের মূল হাতিয়ার।

‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’-এর পর্যটন স্পটগুলোকে যাতে ব্রিটেনের ভ্রমণপিপাসু মানুষের সামনে তুলে ধরা যায়, সেদিকেও স্থানীয় সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন নাদিম কাদির।

তিনি বলেন, নিজ মাতৃভূমিকে বিদেশিদের সামনে ঠিকমতো মেলে ধরতে হাইকমিশন ও স্থানীয় সাংবাদিকদের যৌথ প্রয়াসের কোনো বিকল্প নেই।

এ ক্ষেত্রে সব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে আমি প্রেস মিনিস্টার হিসেবে যোগদান করেছি, সেই দায়িত্ব পালনে আপনাদের সবার সহযোগিতা চাই।

অনুষ্ঠানে লন্ডনে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিনিধি ও স্থানীয় বিভিন্ন সাপ্তাহিকের সম্পাদকসহ বিভিন্ন টেলিভিশন ও অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬০৩ ঘণ্টা, জুন ১০, ২০১৫
এবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa