ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

লাইফস্টাইল

প্রেমের সম্পর্কে যে ১০টি বিষয় নারীদের অপছন্দ

অফবিট ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০২০৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৪
প্রেমের সম্পর্কে যে ১০টি বিষয় নারীদের অপছন্দ

ঢাকা: প্রতিটি প্রেমের সম্পর্কের একটি নিজস্ব ধারা রয়েছে। কিন্তু সে ধারার বাইরেও নারীর নিজস্ব কিছু চাওয়া-পাওয়া থাকে সে সম্পর্ককে ঘিরে।

আর সেটি মূলত ব্যক্তি আচরণ কিংবা পারস্পরিকতার ওপর নির্ভার করলেও প্রেমের সম্পর্কে সমস্যা বা জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়গুলোর মূল কিন্তু গুটি কয়েক কারণই।

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রেমের সম্পর্কে নারীদের অপছন্দের এমন ১০টি কারণকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর এ গুটি কয়েক কারণকে এক করে বাংলানিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো তার দশকাহন।

এরমধ্যে প্রথমেই বলা যায়, পুরুষরা তার সঙ্গীর সঙ্গে অভিসারে যান। ঘোরা-ফেরা সব কিছুই বন্ধুত্বের হাসির মতো পরিস্কার এ সময়। কিন্তু অভিসারে গিয়ে, আপনি যে তাকে ভালোবাসেন সে কথাটাই তো বললেন না! তা হলে বড় ভুলই করে বসলেন।

এ পরিস্থিতিতে এমনটা মনে করলে চলবে না যে, আপনি যে তাকে ভালোবাসেন এটা সে জানেই। বেশির ভাগ নারীই এমন আচরণকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেন না। এমনটা দুইজনের সম্পর্কে ছেদ সৃষ্টি করতে পারে। সৃষ্টি হতে পারে উদাসীনতার দৃষ্টান্তও। আর তাই সম্পর্কে বিপদ সংকেত এড়িয়ে চলতে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত।

দ্বিতীয়টি হচ্ছে আপনার সঙ্গী যেন কখনোই একাকিত্ববোধ না করে। সে দিকে আপনার খেয়াল রাখতে হবে। আপনার ভালোবাসার চেয়েও, সহচার্যের চেয়েও, গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অাপনি কতটা তাকে একাকিত্ববোধ থেকে দূরে রাখতে পারছেন।

তৃতীয় দিকটি হলো, ভালোবাসার অভিব্যক্তি সঠিকভাবে প্রকাশ। ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ এ কথাটা সঠিকভাবে তুলে ধরতে না পারলে সম্পর্কে বিপত্তি সৃষ্টি হবেই। নানা ভঙ্গিমায়, নানা আঙ্গিকে আপনার ভালোবাসাকে বুঝাতে ও তার অল্প অল্প ভিন্ন প্রকাশে অভ্যস্ত হোন।

চতুর্থ বিষয়টি হলো, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো কোনো সময় স্ত্রীর ঘরের কাজে স্বামীরও অংশগ্রহণ দরকার। আর সে বিষয়টি সঠিকভাবে না বুঝাই নারীদের অপছন্দ। এতে সম্পর্কে সমস্যা আসতে পারে। অন্যদিকে স্ত্রী যদি বাজার করা, ঘরের আলোক বাতি লাগানোর মতো কাজে অংশগ্রহণ দেখায় তা হলে তাকে বারণ না করে উল্টো সহযোগিতা করা উচিত। এতে দুজনের মধ্যে ব্যক্তিগত বৈষম্য দূর হয়।

পঞ্চম বিষয়টি হলো তুলনা। তুলনা তখনই মানায়, যখন কোনো প্রতিযোগিতা থাকে। ভালোবাসা কোনো প্রতিযোগিতা নয়। মনে রাখতে হবে প্রতিটি মানুষই ভিন্ন। আর তার ভালোবাসা একটি স্বতন্ত্র প্রেমগল্প। ভালোবাসাকে সব সময় বিশেষভাবে দেখে, কারো সঙ্গে এর তুলনা জুড়ে দিলেই বিপদ। এটা মেয়েদের একদমই পছন্দ নয়। এতে কমতি পূরণের চেয়ে সমস্যা আরো বাড়ে। অন্যের সম্পর্কের গুণ দেখে হিংসা নয় বরং নিজের সম্পর্কের খেয়াল না নেওয়া বিপদজ্জনক।

ছয় নম্বর বিষয়টি হলো, আপনার সঙ্গীকে আপনি কতটা ভালোবাসলেন এর চেয়েও বড় বিষয় তাকে কতটা নিজের করে নিয়ে সে ভালোবাসা বুঝাতে পারলেন। এমন কিছু করে ভালোবাসার বোধ নষ্ট করা যাবে না, যা তার জন্য অসন্তোষজনক।

সপ্তম বিষয়টি হলো, ভালোবাসার মানুষটির সমালোচনাগুলোকে প্রশংসায় পরিণত করতে চেষ্টা করুন। সব সময় সমালোচনাকে একটি সমস্যা হিসেবে মনে করে মেয়েরা। একটি মিষ্টি সম্পর্ক গড়ে তুলতে একে অপরের প্রশংসাই যথেষ্ট। এতে সমালোচনাও দূর হবে।

অষ্টম বিষয়টি হলো, নিজেই নিজের শরীর, স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। একত্রে শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করা যাবে না। এতে করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অভিযোগ সঙ্গীর পক্ষ থেকে আসার সম্ভাবনা কমে যাবে।

নবম বিষয়টি হলো, অনেক নারীর কাছে জিনিসটি বিরক্তিজনক যে তার স্বামী তার চেয়েও বন্ধুদের বেশি প্রাধান্য দেয়। এতে সৃষ্টি হতে পারে দীর্ঘ মেয়াদী সমস্যা। তাই সব সময় খেলায় রাখতে হবে আপনার বন্ধুদের গুরুত্ব যেন স্ত্রী কিংবা সঙ্গীর চেয়ে বেশি না হয়। আর নির্ভারশীলতার জায়গাটিও যেন সঙ্গীই হয়।

দশম ও  সর্ব শেষ যে উল্লেখ্য তা হলো, আমরা অনেকেই সমস্যা লুকাতে পছন্দ করি। কোনো সমস্যা থাকলে তা মন খুলে বললেই সমাধান করা সম্ভব। ফলে দূর হবে একে অন্যকে বুঝতে না পারার জটিলতা। আর সুন্দর ও মধুর হবে প্রেমের সম্পর্ক।

বাংলাদেশ সময়:  ০২০৭ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৪

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa