ঢাকা, বুধবার, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯, ১০ আগস্ট ২০২২, ১১ মহররম ১৪৪৪

আইন ও আদালত

গুলিস্তানে দুজনকে চাপা দেওয়া বাসচালকের স্বীকারোক্তি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২৩২৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১০, ২০২২
গুলিস্তানে দুজনকে চাপা দেওয়া বাসচালকের স্বীকারোক্তি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হন বাসচালক রাকিব

ঢাকা: রাজধানীর গুলিস্তানে বাসচাপায় দুই পথচারী নিহতের ঘটনায় মেঘলা পরিবহনের চালক রাকিব শরীফ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এ দিন আসামি রাকিবকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার উপ-পরিদর্শক রাজীব চন্দ্র সরকার। এ সময় আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে সম্মত হওয়ায় তিনি তা রেকর্ডের আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সিএমএম আদালতে ওয়ারী থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সালোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

গত ৮ জানুয়ারি সকালে মেঘলা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কয়েকজন পথচারীকে ধাক্কা দেয়। এ সময় শেখ ফরিদ এবং মো. বাদশা মিয়া মারা যান। আহত হন আরও কয়েকজন।

এ ঘটনায় শেখ ফরিদের ভাই শাকিল ওই দিনই সড়ক ও পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৯৮ ও ১০৫ ধারায় ওয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় এজাহারে বলা হয়, গত ৮ জানুয়ারি সকাল ৭টার দিকে শেখ ফরিদ চিংড়ি মাছ কেনার জন্য কাপ্তান বাজারের উদ্দেশে বের হন। আর বাদশা মিয়া যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তানে মাল ডেলিভারি দেওয়ার জন্য রওনা হন। সকাল সাড়ে ৯টার সময় ওয়ারী থানাধীন মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারস্থ টোল প্লাজার ৪০ মিটার পূর্বদিকে তারা পায়ে হেঁটে নামার সময় যাত্রাবাড়ী থেকে আসা মেঘলা পরিবহনের একটি বাস ফরিদ ও বাদশার ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে তারা গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া ওই গাড়ির আঘাতে ওমর শরিফসহ কয়েকজন আহত হন।

মামলার পর ওই দিনই ওয়ারী এলাকা থেকে মেঘলা পরিবহনের চালক মো. রাকিব শরীফকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

বাংলাদেশ সময়: ২৩১১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১০, ২০২২
কেআই/এমজেএফ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa