ঢাকা, বুধবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩১, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৫

আইন ও আদালত

ইরফান সেলিমের চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা শুনানি পেছালো

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৪১৭ ঘণ্টা, মার্চ ২১, ২০২১
ইরফান সেলিমের চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা শুনানি পেছালো

ঢাকা: রাজধানীর কলাবাগানে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রের (চার্জশিট) গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ২৮ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।  

রোববার (২১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম মুবিনুল হক গত ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন পুলিশ আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় ইরফানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়। ইরফান ছাড়া অপর আসামিরা হলেন- তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা, এ বি সিদ্দিক দিপু, গাড়িচালক মিজানুর ও রিপন কাজী। রিপন কাজী ছাড়া অপর আসামিরা গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।

সেই অভিযোগপত্রের গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে রোববার শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন ইরফানকে আদালতে হাজির করা হয়নি।  

ইরফানের আইনজীবী প্রাণ নাথ জানান, অভিযোগপত্রের শুনানি আসামিদের উপস্থিতিতে করার নিয়ম। আজকের তারিখে ইরফানকে আদালতে আনা হয়নি, তাই বিচারক পুনরায় গ্রহণযোগ্যতা শুনানির দিন রেখেছেন। আগামী তারিখে ইরফান সেলিম ও মামলার বাদীর উপস্থিতিতে শুনানি হবে। ওইদিন মামলার বাদী নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানোর আদেশও দেন আদালত।

মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ২৬ অক্টোবর ভোরে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন- সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম (৩৭), তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজী সেলিমের মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ (৩০) অজ্ঞাতপরিচয়ের দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনই মেরে ফেলব’।

এরপর বের হয়ে ওয়াসিমকে কিল-ঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা ও পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ মামলায় গত বছর ২৮ অক্টোবর দেহরক্ষী জাহিদ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৪১৪ ঘণ্টা, মার্চ ২১, ২০২১
কেআই/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।