bangla news

তারেক-ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-১২-১০ ৬:৪৮:০৬ পিএম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকির অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলাটি আমলে নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান তদন্ত করে দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন।   

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী একই আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, দলটির মহানগর উত্তর কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল সোহেল, জামায়াতে ইসলামীর রোকন ও শাহ আলী বাগদাদী (রা.) কামিল মাদরাসার সাময়িক বহিষ্কৃত উপাধ্যক্ষ আফজাল হোসেন, মাদরাসার অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও আবদুল করিম, হাফেজ মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, আমিনুল হক বাবু এবং ফারুক আহমদ। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আর্জিতে বলা হয়েছে, ‘এ বি সিদ্দিকী গত ৬ ডিসেম্বর শাহ আলী মাজারের কাছে যান। সেখানে বিএনপি নেতা রবিউল আউয়াল সোহেলের হুকুমে বিএনপির চার/পাঁচজন কর্মী নিজেদের আওয়ামী ওলামা লীগের লোক বলে পরিচয় দেন। তারা বলেন, ‘আপনিতো (এ বি সিদ্দিকী) খালেদা জিয়া এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলা করেছেন। আমরা মিরপুরের বিএনপি নেতা রবিউল আউয়াল সোহেল ও জামায়াতের নেতাদের সরকারবিরোধী কার্যকলাপের গোপন বৈঠকের তথ্য সংগ্রহ করেছি। এ ব্যাপারে মামলা করার জন্য আপনার সঙ্গে পরামর্শ করতে চাই।’

‘তারা এ বি সিদ্দিকীকে রাস্তার অপরপাশে তাদের অফিসে নিয়ে যেতে চান। এ বি সিদ্দিকী সময় চান। পরে তিনি বুঝতে পারেন, ভবনটি বিএনপি নেতা রবিউল আউয়ালের। সেখানে রবিউল আউয়াল জামায়াত-শিবিরের ক্যাডারদের নিয়ে সরকারবিরোধী গোপন বৈঠক করেন। ওই ভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের অফিস হয় কীভাবে? ফলে তার সন্দেহ হয়, এরা রবিউল আউয়ালের ক্যাডার’।

‘ওই ব্যক্তিরা এ বি সিদ্দিকীকে ওই ভবনে নিয়ে যেতে জোর করেন। নিরাপত্তার কারণে সেখানে যাননি এ বি সিদ্দিকী। পরে তারা স্বীকার করেন তারা বিএনপি, জামায়াতের লোক। তাদের রবিউল আউয়াল পাঠিয়েছেন তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ‘আপনি যেতে রাজি হচ্ছেন না, আপনাকেতো জোর করে নিয়ে যাওয়া যাবে না। আপনাকে ছেড়ে দিচ্ছি। তবে একটা শর্ত- বিএনপির নেতারা বলেছেন, তাদের নেতা (তারেক রহমান) নির্দেশ দিয়েছেন, খালেদা জিয়া এবং সব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে ২১ আগস্টের মতো শেখ হাসিনার পরিবার এবং তার পরিবারের সদস্যদের আইএস দিয়ে খুন করা হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
কেআই/জেডএস

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-12-10 18:48:06