ঢাকা, সোমবার, ৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ আগস্ট ২০১৯
bangla news

ভোলার এসপিকে হাইকোর্টে তলব

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৭-১৭ ৮:১০:৫৭ পিএম
সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম কোর্ট

ঢাকা: যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আদালতে প্রতিবেদন পাঠানোর বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে ভোলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) তলব করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আগামী ২০ আগস্ট তাকে হাইকোর্টে হাজির হতে হবে।

অবৈধ অস্ত্র ও গুলিসহ তেজগাঁও থানার গার্ডেন রোডের একটি বাসা থেকে রাবেয়া খাতুনকে ২০০২ সালের ২ জুন গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেদিনই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এই মামলায় জুলহাস ও অপর এক ব্যক্তি মাসুদকে আসামি করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়। এর প্রায় ছয়মাস পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর রাবেয়া খাতুন ও জুলহাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। তবে ২০০৩ সালের ২৪ মার্চ অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর এই মামলায় ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এই মামলার বিচার দীর্ঘ ১৬ বছরেও সম্পন্ন না হওয়ায় এ নিয়ে গত ২৫ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকে ‘অশীতিপর রাবেয়া: আদালতের বারান্দায় আর কত ঘুরবেন তিনি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আশরাফুল আলম নোবেল। এই রিট আবেদনের ওপর শুনানির সময় আসামি জুলহাস মিয়া বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন ৩ জুলাই প্রতিবেদন দিতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।

ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলহাস ওরফে জুয়েল গত ১০/১২ বছর আগে পরিবার নিয়ে ভোলায় চলে গেছেন। অন্যদিকে, ভোলার পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে সরাসরি পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোলায় জুলহাস নামে কোনো ব্যক্তি নেই, তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ভোলা সদর এলাকায় পশ্চিম বাপতা নামে কোনো গ্রামও নেই। 

আদালতে রাবেয়া খাতুনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আশরাফুল আলম নোবেল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারওয়ার কাজল ও সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন মৃধা।

আইনজীবী আশরাফুল আলম নোবেল একটি মামলার এজহার ও চার্জশিট দাখিল করে আদালতকে বলেন, ‘২০০৪ সালের ১ নভেম্বর ফার্মগেটের পশ্চিম তেজতুরি বাজার এলাকায় জুলহাসকে দুষ্কৃতিকারীরা গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় তার মা নূরজাহান বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাকির হোসেনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। ২০০৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। বর্তমানে এ মামলটি ঢাকার আদালতে বিচারাধীন।

আইনজীবীরা জানান, ভোলার এসপির পাঠানো প্রতিবেদন যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরন করা হয়নি। এরপর আদালত তাকে তলব করেন।

বাংলাদেশ সময়: ২০১০ ঘণ্টা, জুলাই ১৭,২০১৯
ইএস/জেডএস

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-07-17 20:10:57