bangla news

বগুড়ায় মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০২-০৩ ৩:১৫:৪০ পিএম
ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

বগুড়া: বগুড়ার কাহালু উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলে আবু রায়হানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক গোলাম ফারুক এ আদেশ দেন। এসময় আদালতে আসামি রায়হান উপস্থিত ছিলেন। তার বাবার নাম আব্দুর রহমান।
 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ২৭ জুলাই কাহালু উপজেলার বাথই গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মা রওশন আরাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন তারই ছেলে রায়হান। ঘটনার পরপরই প্রতিবেশিরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে এ ঘটনায় তার বোন রাবেয়া কাহালু থানায় মামলা দায়ের করেন।
 
কাহালু থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল আলম মামালাটি তদন্ত করেন। তদন্তকালে আসামি তার দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে একই বছরের ৩১ অক্টোবর রায়হানকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
 
মামলাটি বিচারের জন্য বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এ স্থানান্তর করা হয়। সেই মামলায় ২০১০ সালে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা মাকে হত্যার দায়ে ছেলে রায়হানকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেন।
 
পরে আসামি রায়হান রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করলে আবারো বিচারিক কাজ শুরু হয়। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক গোলাম ফারুক পুনির্বিবেচনার রায়েও তাকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দেন।
 
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পদ্ম কুমার দেব বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
তিনি জানান, মামলাটি শুনানিকালে আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এরপর রোববার আদালতের বিচারক মামলার এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আদালত হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা উল্লেখ করেছেন।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৫১২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১৯
এমবিএইচ/আরবি/

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   বগুড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-02-03 15:15:40