ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
bangla news

আদিবাসী উন্নয়নে মমতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ মধ্য প্রদেশ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-০৪ ২:৪২:৩৬ পিএম
আদিবাসীদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ফটো

আদিবাসীদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ফটো

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে আদিবাসী ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে তার সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মধ্য প্রদেশের আদিবাসী ও তফসিলি কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী ওমকার সিং মারকম। 

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী কল্যাণ ও অনগ্রসর উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন। প্রশাসনিক ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ওমকার সিং বলেন, আদিবাসী ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের উন্নয়নে যে পরিকল্পনা করে কাজ করছে সরকার, তার জন্য প্রশংসার দাবি রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীতে পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী অধ্যুষিত কয়েকটি অঞ্চল ঘুরে দেখবেন বলেও জানান তিনি। 

এসময় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মধ্য প্রদেশে জনসংখ্যার প্রায় ২৩ শতাংশ আদিবাসী। আমাদের দফতর আদিবাসীদের নিয়ে কী কাজ করেছে, তা দেখতে এসেছিলেন ওমকার সিং মারকম। আমাদের বেশ কিছু কাজের প্রশংসা করেছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী বলেন, আমাদের এখানে যেমন আইন করা হয়েছে যে, আদিবাসীদের জমি অন্য কেউ কিনতে পারবেন না, এমনকি আদিবাসীদের জমি হস্তান্তরও করা যাবে না- এর প্রশংসা করেছেন তিনি। এছাড়া সাঁওতালদের ‘অলচিকি’ হরফের অভিধান ও বই দেখে তার ভালো লেগেছে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার উন্নয়নে আদিবাসীদের জন্য যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তারও প্রশংসা করেছেন মন্ত্রী ওমকার সিং। 

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মধ্য প্রদেশের কিছু জিনিস আমাদেরও ভালো লেগেছে। যেমন- তফসিলি সন্তান জন্মালে তাকে ‘মদত’ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়। অর্থাৎ, মধ্য প্রদেশ সরকার ওই শিশুকে সবধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেয়। পশ্চিমবঙ্গেও ওই ধরনের কিছু করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৯
ভিএস/একে

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   কলকাতা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

কলকাতা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-09-04 14:42:36