bangla news

১০ বছরের শিশুর কঠিন পর্বত জয়ের রেকর্ড

ইচ্ছেঘুড়ি ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৮-০৪ ৭:২১:৫০ পিএম
পর্বতের সঙ্গে লড়াই করছেন শিশু সালেহ

পর্বতের সঙ্গে লড়াই করছেন শিশু সালেহ

সালেহ স্নাইটারের বয়স মাত্র ১০ বছর। পর্বতারোহী এক পরিবারের তার জন্ম। পরিবারের সদস্যরা জয় করেছেন উঁচু বিপদসঙ্কুল সব পর্বতচূড়া। সেই পরিবারের মেয়ে কি চুপ থাকতে পারে। বাবার পথ অনুসরণ করে তাই নেমে পড়লো অ্যাডভেঞ্চারে। পর্বত জয় করা চাই তার। পাঁচ দিনে সে স্বপ্ন পূরণও করে ফেললো সহজে। আর সেই পর্বতচূড়ায় উঠে তার অনুভূতি, দুঃখ পেলাম, এতো তাড়াতাড়ি কেন শেষ হলো!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ইয়োসেমাইট ন্যাশনাল পার্কের কঠিন পাথুরে পর্বতচূড়া এল ক্যাপিটান। উচ্চতা তিন হাজার ফুটের মতো। বাবা আর পরিবারের আরেক পর্বতারোহী বন্ধু সঙ্গে সেও পাড়ি জমালো জয়ের নেশায়। 

সম্প্রতি বাবার সঙ্গে মাত্র পাঁচদিনে সেই পর্বত জয়ে গড়েছে রেকর্ড। এত কম বয়সে কেউ এই কঠিন পাথুরে পাহাড়ে চড়ার সাহস দেখায়নি।

বাবার সঙ্গে ঝুলন্ত খাটেঅভিযানের সময় পাহাড়ের গায়ে ঝোলানো খাটে রাত কেটেছে তাদের। কিন্তু একটুও ভয় ছুঁতে পারেনি স্নাইটারের। সামান্য ঝড়-বৃষ্টিতে এই ঝোলানো খাট ডেকে আনতে পারতো বড় বিপদ।

কলোরাডো স্কুলের গেড-৫ এ পড়ুয়া সালেহ স্নাইটারের পরিকল্পনাতেই তার বাবা রাজি হন এ বিপদসঙ্কুল পর্বতারোহণে। এক বছর ধরে চেষ্টায় সে তার বাবা-মাকে এজন্য রাজি করায়। অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে সে নয় মাস শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছে। যখন সে নিজেকে উপযুক্ত মনে করেছে তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে চূড়ান্ত অভিযানের। 

পর্বত জয়ের আনন্দযখন এল ক্যাপিটান পর্বতচূড়ায় পৌঁছায় তখন আনন্দে অভিভূত ও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। কেন শেষ হয়ে গেলো তা নিয়ে আক্ষেপও ছিল তার। 

তার বিশাল অর্জনের জন্য বাবা-মায়ের কাছ থেকে পিজ্জা, আইসক্রিম আর চেরির সঙ্গে চকোলেট ট্রিট নেয়। পরে এক টিভি সাক্ষাৎকারে সালেহ স্নাইটার জানায়, সে আবারও এল ক্যাপিটান পর্বতারোহণে যেতে চায়। তবে বাবা-মায়ের সঙ্গে নয়, ভাইয়ের সঙ্গে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯১২ ঘণ্টা, আগস্ট ০৪, ২০১৯
এএ

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ইচ্ছেঘুড়ি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত

Alexa
cache_14 2019-08-04 19:21:50