ঢাকা, রবিবার, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪ শাবান ১৪৪৫

ইসলাম

শুক্রবার শুরু হচ্ছে জোড় ইজতেমা

এ বছরের বিশ্ব ইজতেমা ৩২ জেলার জন্য

মুফতি এনায়েতুল্লাহ, বিভাগীয় সম্পাদক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৫১ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৮, ২০১৫
এ বছরের বিশ্ব ইজতেমা ৩২ জেলার জন্য ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম (ফাইল ফটো)

টঙ্গী তুরাগ নদের তীরে আগামী শুক্রবার (২০ নভেম্বর) থেকে বিশ্ব তাবলিগ জামাতের প্রস্তুতিমূলক পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা শুরু হচ্ছে। ২৪ নভেম্বর শেষ দিনে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ এই বিশেষ জোড় ইজতেমা।



জোড় ইজতেমার বৈশিষ্ট্য হলো, এই ইজতেমায় শুধু চিল্লাধারী মুসল্লিরা অংশ নিবেন। এখানে সর্বসাধারণের অংশগ্রহণের অনুমতি নেই। এই ইজতেমায় বিশ্ব ইজতেমার জন্য মাঠ প্রস্তুত ও বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

জোড় ইজতেমা উপলক্ষ্যে ইজতেমার মাঠ ও এর আশপাশের এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

এবারের বিশ্ব ইজতেমা আগামী বছরের ৮ জানুয়ারি প্রথম দফায় শুরু হয়ে ১০ জানুয়ারি দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এরপর ১৫ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৭ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে।

আগামী বছর বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হলেও তাতে সব জেলার মানুষ অংশ নিতে পারবেন না। এবারের বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেবেন মাত্র ৩২ জেলার মুসল্লি। বাকি ৩২ জেলার মুসল্লিরা পরের বছর অংশ নেবেন। এসব জেলায় এবার স্থানীয়ভাবে ইজতেমার আয়োজন করা হবে। চলতি নভেম্বর ও আগামী মাসে এসব আঞ্চলিক ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েক জেলার ইজতেমা সম্পন্নও হয়েছে।

এবার যে ৩২ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবেন, তারা ২০১৭ সালের ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন না। প্রত্যেক পর্বে মাত্র ১৬ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবেন। ইজতেমায় দুর্ভোগ কমাতে তাবলিগ জামাতের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইজতেমায় প্রতিবছর ২০ লাখের বেশি মুসল্লির সমাগম হয়। আখেরি মোনাজাতের দিন এ সংখ্যা দ্বিগুণ হয়, যা টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরের ১৬০ একরের ইজতেমা ময়দানের ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।

১৯৬৭ সাল থেকে নিয়মিত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চাপ কমাতে ২০১১ সাল থেকে দুই পর্বে ইজতেমা আয়োজন করা হচ্ছে।

এ বছর যে ৩২ জেলার মুসল্লিরা ইজতেমায় অংশ নেবেন- কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, পাবনা, জয়পুরহাট, যশোর, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশাল ও বরগুনা।

এবারের ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশ নেবেন- নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, মাদারীপুর, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, পঞ্চগড়, লক্ষ্মীপুর, সিলেট, নড়াইল, মাগুরা, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী, ভোলা ও ঝালকাঠির মুসল্লিরা।

দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবেন ঢাকা, নেত্রকোনা, ফরিদপুর, জামালপুর, নরসিংদী, রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, ফেনী, কুমিল্লা, সুনামগঞ্জ, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও পিরোজপুরের মুসল্লিরা।



বাংলাদেশ সময়: ১৮৫১ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৮, ২০১৫
এমএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।