bangla news

এন্টার্কটিকার ওজোন স্তরের ক্ষয় কমছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০২০-০৩-২৭ ৫:০৬:০৬ পিএম
ওজোন স্তরে ক্ষয়ের কারণে ভয়াবহ খরার কবলে পড়তে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

ওজোন স্তরে ক্ষয়ের কারণে ভয়াবহ খরার কবলে পড়তে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে এন্টার্কটিকা মহাদেশের ওজোন স্তরের মধ্যে হওয়া ছিদ্র। এতে করে দক্ষিণ গোলার্ধে বাতাসের প্রবাহে যে পরিবর্তন এসেছিল, তাও বদলে যাচ্ছে।

এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি মেইল’ এ তথ্য জানায়।

ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডোতে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৮০ সালের দিকে ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকারক পদার্থের ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করার ফল এখন চোখে পড়ছে। ওজোন স্তরে ক্ষয়ের কারণে দক্ষিণ গোলার্ধে বাতাসের প্রবাহ বা জেট স্ট্রিম আরও দক্ষিণে সরে যাচ্ছিলো, যা এখন আবার আগের জায়গায় ফিরে যাচ্ছে।

গবেষণা প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক অন্তরা ব্যানার্জি জানান, এটি সম্ভবত সাময়িক পরিবর্তন কেননা পরিবেশে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

বাতাসের প্রবাহ বদলে যাওয়ায় দক্ষিণ গোলার্ধে বৃষ্টিপাত ও সামুদ্রের স্রোতের গতিও বদলে যাচ্ছিল। এ কারণে ভয়াবহ খরার কবলে পড়তে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে গবেষকরা দেখেন, বাতাসের প্রবাহ আর দক্ষিণে সরে যাচ্ছে না। একইসঙ্গে ক্ষয় কমছে ওজোন স্তরের।

এন্টার্কটিকার ওজোন স্তরে ছিদ্রের বিষয়টি নজরে আসে ১৯৮২ সালে। গত বছর এর আকার সবচেয়ে ছোট ছিল। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটা সাময়িক। চীনে ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকারক পদার্থের ব্যবহার বাড়ছে। এতে পরবর্তীকালে নতুন করে ওজোন স্তর আরও ক্ষয় হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ওজোন স্তর সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে তা ভূপৃষ্ঠে আসতে বাধা দেয় এবং এর ক্ষতি থেকে আমাদের রক্ষা করে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০৫ ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০২০
এফএম

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2020-03-27 17:06:06