bangla news

সৌদিতে হামলা: ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইরানের!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৯-১৯ ১২:৩৪:৩৪ পিএম
হামলায় ব্যবহৃত ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ। ছবি: সংগৃহীত

হামলায় ব্যবহৃত ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: সৌদি আরবে আরামকো কোম্পানির তেল স্থাপনায় হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইল। এ হামলার দায় ইরানের ওপর চাপাতে চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

যদিও তারা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে এতে থেমে থাকেনি যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টা। ইতোমধ্যে ইরানকে দায়ী করে বেশ কয়েকটি বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে, আরোপ করা হচ্ছে নিষেধাজ্ঞাও।

এর মধ্যে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোন এবং মিসাইলগুলোর ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই ধারণা করছেন হামলার পেছনে মূলত ইরানই দায়ী। যদিও এর আগে এ হামলার দায় স্বীকার করেছিল ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, সৌদি আরব ইয়েমেনে আগ্রাসন চালাচ্ছে। তা বন্ধ না হলে হামলা অব্যাহত থাকবে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোন এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ তুলে ধরা হয়। এগুলো বিশ্লেষণ করার পর তাদের ধারণা, হামলার পেছনে ইরানই দায়ী।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল মালিকি বলেন, হামলাটি হয়েছে উত্তর দিক থেকে এবং তা প্রশ্নাতিতভাবে ইরানের মদদে। যদিও সৌদি আরব এখনও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছেনি। এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। জানার চেষ্টা করছি ঠিক কোন জায়গা থেকে হামলা হয়েছে তা বের করার।

সংবাদ সম্মেলনে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত তেল শোধনাগারের ছবি দেখানো হয়। ছবি: সংগৃহীত

তবে, ড্রোনের থেকে উদ্ধার করা তথ্য থেকে জানা যায়, এটি ইরানি ড্রোন। সুতরাং এতে আর প্রশ্নের অবকাশ থাকে না। একই সঙ্গে বোঝা যাচ্ছে ইরানের সমর্থন নিয়ে ইয়েমেনে এর ‘প্রক্সিগুলো’ আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত হুমকির মুখে ইরান দমে যাবে এমন নমুনাও দেখা যাচ্ছে না। তারা উল্টো ইরানে কোনো আগ্রাসন হলে মধ্যপ্রাচ্যে এবং পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরব সফর করছেন। সেখানে তিনি এ হামলাকে ‘যুদ্ধ ঘোষণা শামিল’ বলে অভিহিত করেছেন।

আরও পড়ুন>> সৌদির তেল-স্থাপনায় হামলা হয়েছে ইরান থেকে: যুক্তরাষ্ট্র

হামলার পর প্রথম দিকে ঠিক এরকম সুরই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন, হুমকি দিয়েছিলেন হামলার। কিন্তু এখন সুর নরম করে বললেন, আমাদের হাতে ‘বহু পন্থা’ রয়েছে প্রতিক্রিয়া দেখানোর।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে প্রতিক্রিয়া দেখানোর অনেক সুযোগ রয়েছে। আমরা এখন খুবই শক্তিশালী।’

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবে আরামকোর আবাইক তেল শোধনাগার ও খুরাইস তেলক্ষেত্রে হামলায় ১৮টি ড্রোন অংশ নেয়, ছিল ৭টি ক্রুজ মিসাইলও। এরমধ্যে ৪টি খুরাইস তেলক্ষেত্রে এবং বাকি ৩টি আবাইকে আঘাত হানে।

বাংলাদেশ সময়: ১২৩৪ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
এইচএডি

ক্লিক করুন, আরো পড়ুন :   হামলা
        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-09-19 12:34:34