ঢাকা, সোমবার, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৭ জুন ২০১৯
bangla news

চীনে রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৬২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৯-০৩-২৩ ৪:৩১:৪০ পিএম
রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড। ছবি: সংগৃহীত

রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: চীনের পূর্বাঞ্চলের একটি রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৬২-তে দাঁড়িয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৩৪ জন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ২৮ জন।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম শনিবার (২৩ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ইয়ানচেংয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে এই বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের পর যে আগুন লাগে তা শুক্রবার (২২ মার্চ) রাতে নিয়ন্ত্রণে আসে।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় ৬৪০ জন আহত হয়েছেন। তারা ১৬টি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৪ জনের অবস্থা গুরুতর।

তিয়ানজিয়াই কেমিক্যাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান কারখানাটি পরিচালনা করতো। সার উৎপাদনকারী ওই কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে নিকটস্থ একটি প্রাথমিক স্কুলের শিশুরাও দগ্ধ হয়।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, কারখানাটির কর্মক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এর আগেও কোম্পানিটিকে জরিমানা করা হয়েছিল।

চীনের ভূমিকম্প জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভয়াবহ বিস্ফোরণের সময় ওই এলাকা কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ২ দশমিক ২।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, বিস্ফোরণটি এতোটাই শক্তিশালী ছিল যে, কারখানার ভবন ধসে আটকা পড়েন অনেক শ্রমিক। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এখনও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ বিস্ফোরণের কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

দুর্বল অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটির কারণে চীনে রাসায়নিক কারখানা ও খনিতে প্রায়ই বিস্ফোরণ ঘটে। 

২০১৫ সালে উত্তরাঞ্চলের তিয়ানজিন শহরে দু’টি ভয়াবহ বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৬০ জন নিহত হন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৩১ ঘণ্টা, মার্চ ২৩, ২০১৯
এসএ/এইচএ/

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
cache_14 2019-03-23 16:31:40