bangla news

ফিলিপাইনে বাস জিম্মি নাটকের অবসান, নিহত ৯

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-০৮-২৩ ৭:২১:৫৭ পিএম

ফিলিপাইনের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সেমাবার অভিযান চলিয়ে হংকং এর পর্যটকদের নিয়ে জিম্মিকরা বাসটি উদ্ধার করেছে। অভিযানে জিম্মিকারী ও  ৮ পর্যটক নিহত হয়েছে। ৭ পর্যটককে আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ম্যানিলা: ফিলিপাইনের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সেমাবার অভিযান চলিয়ে হংকং এর পর্যটকদের নিয়ে জিম্মিকরা বাসটি উদ্ধার করেছে। অভিযানে জিম্মিকারী ও  ৮ পর্যটক নিহত হয়েছে। ৭ পর্যটককে আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চাকরি ফিরে পেতে ুব্দ ফিলিপাইনের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা রোনান্দো মেনদোজা ওই জিম্মি নাটকের নায়ক।

মেন্দোজ সোমবার এম-১৬ রাইফেল নিয়ে ম্যানিলার পর্যটক এলাকায় পর্যটকদের নিয়ে একটি বাস জিম্মি করে। বাসটি পর্যটন এলাকা রিজাল পার্কের কাছে থামিয়ে রাখা হয়। স্থানটি পুলিশ সদরদপ্তরের ঠিক পিছনে।

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার অভিযানের শুরুতে মেনদোজার সঙ্গে সমঝোতা করার চেষ্টা করে। সন্ধ্যায় আলোচনা ভেঙ্গে যাওয়ার পর  নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা বাসটিতে গুলিবর্ষণ শুরু করে।

পুলিশের অভিযান চলাকালে মেনদোজ স্থানীয় একটি রেডিওকে বলেন, ‘আমি দুইজন চীনা নাগরিককে গুলি করেছি। আমি থামবো না যদি তারা গুলি বর্ষণ বন্ধ না করে।’

পুলিশ জানায়, ১২ ঘণ্টা জিম্মিদশা অবসানের শেষ মুহুর্তে  মেন্দোজ জিম্মিদের দিয়ে মানবপ্রচীর রচনা করে। তখন তাকে গুলিকরে হত্যা করা হয়।

দিনভর জিম্মি নাটক চলাকালে আলোচানর ভিত্তিতে শিশু ও দুই ফিলিপাইনের নাগরিক সহ ৭জনকে মুক্তি দেয় মেনদোজ।

পুলিশের অভিযানের আগ মুহুর্তে বাস চালক জানালা দিয়ে লাফিয়ে পরে আত্মরক্ষা করে। তার পালিয়ে যাওয়ারসহ সমগ্র জিম্মিদশার চিত্র টেলিভিশন সরসরি সম্প্রচার করে।

জিম্মিদশা থেকে বেঁচে আসা লিয়ং নামের একজন জানান ফিলিপাইনের কর্তৃপক্ষ খুব ধীরগতিতে ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি বলেন, বাসে অনেক মানুষ। কিন্তু কেউ এগিয়ে এলানা উদ্ধারে। আমরা দীর্ঘ সময় আতঙ্কে কাটিয়েছি। আমি মনে করি এটা খুবই জঘন্ন কাজ হয়েছে।’

এদিকে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট বেনিংগো অ্যাকুইনো জানান, জিম্মি ঘটনায় ৮ পর্যটকের নিশ্চিত মৃত্যু হয়েছে। রেডক্রস ৭ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে বলে জানাগেছে।

অ্যাকুইনো পুলিশের অভিযান সম্পর্কে বলেন, কর্তৃপক্ষ আশা করেছিল মেনদোজ আত্মসমর্পন করবে। কয়েকজনকে সে মুক্তিও দিয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

পুলিশ জানায়, মেনদোজ ১৯৮৬ সালে পুলিশ প্রধানের দায়িত্বপান। দেশের ১০জন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে একজন ছিলেন তিনি। কিন্তু ২০০৮ সালে মাদক সংক্রান্ত অপরাধ ও ডাকাতির ঘটনায় জরিত থাকার দায়ে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

ম্যানিলার জেলা পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনন্ডেন রোনালদা মাগটিবাই জিম্মি ঘটনার একদিন আগে জানিয়েছিলেন মেনদোজ চাকরিতে ফিরতে চাচ্ছেন।

বাংলাদেশ সময় ০৪১০ঘণ্টা, আগস্ট ২৪, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2010-08-23 19:21:57