bangla news

ইরানের অস্ত্রের চালান যাচ্ছে আফগান তালেবানের কাছে

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১০-১০-২০ ৮:৩১:১৭ এএম

আফগান কর্মকর্তারা দুই সপ্তাহ আগে ইরানের অস্ত্র বোঝাই একটি জাহাজের চালান আটকে দেয়। জাহাজটির গন্তব্য ছিলো দেশটির নিমরোজ প্রদেশের তালেবান জঙ্গি ঘাঁটিতে।

কাবুল: আফগান কর্মকর্তারা দুই সপ্তাহ আগে ইরানের অস্ত্র বোঝাই একটি জাহাজের চালান আটকে দেয়। জাহাজটির গন্তব্য ছিলো দেশটির নিমরোজ প্রদেশের তালেবান জঙ্গি ঘাঁটিতে।

আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউটের (এইআই) মিশেল রুবিন বলেন, ‘নিমরোজের পুলিশ প্রধান খাদ্য ও খেলনা বলে চালানোর চেষ্টা করা কয়েক টন ইরানি বিস্ফোরক জব্দ করেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।’

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে দু’সপ্তাহের সফরের পর ফিরে এসে রুবিন এ তথ্য জানান।

সম্প্রতি আফগানিস্তানে ইরান ও এর প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের অসহযোগিতামূলক আচরণ বিষয়ে সাংবাদিকদের গোপনে তথ্য দেয় মার্কিন সেনা কমান্ডরা। এর আগেই রুবিন এ তথ্য ফাঁস করেন।

ইরানের অসহযোগিতামূলক আচরণ বিষয়ে বলা হয়, ইরাকে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জঙ্গিদের মত তালেবান জঙ্গিদেরও একই ধরনের সমর্থণ ও অস্ত্র সাহায্য দিচ্ছে ইরান।

কমান্ডরা সাংবাদিকদের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইরান আফগানিস্তানের পশ্চিমা অংশে তাদের অর্থনৈতিক প্রভাব বাড়িয়ে চলেছে এবং একইসঙ্গে দেশটির সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অর্থের সাহায্যে প্রার্থী এবং তাদের আনুগত্য পাওয়ার চেষ্টা করছে।

এদিকে ওবামা প্রশাসনের আমন্ত্রণে আফগানিস্তান বিষয়ে আলোচনা করতে রোমের ন্যাটো সম্মেলনে সোমবার যোগ দিয়েছেন ইরানের কূটনীতিকরা।

ন্যাটোর এধরনের নবম সম্মেলন। এ সম্মেলনে মূলত আফগানিস্তানে বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি এবং পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি রিচার্ড হলব্রুকসহ এধরনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উচ্চ পর্যায়ের পদস্থ কর্মকর্তারা যোগ দিয়ে থাকেন।   

হলব্রুক বলেন, ‘আফগান পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ইরান ভূমিকা পালন করবে বলে আমাদের ধারণা। এ সম্মেলনে তাদের উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সমস্যা নেই।’

কিন্তু এইআই’র রুবিন বলেন, ‘জেনারেল ডেভিড পেট্রাউস, ওবামা প্রশাসন এবং ন্যাটো সম্ভবত দেখাতে চাচ্ছেন যে ইরান সহযোগিতা করছে, কিন্তু এর সবই ধোয়ায় আচ্ছন্ন।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ভবিষ্যৎ গঠন কাঠামো বিষয়ক আলোচনায় ইরানকে আহ্বান জানানোর অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের আত্মসমর্পণ করা এবং তারা আফগানিস্তান ত্যাগের পর ইরানের ওই শূন্যস্থান পূরণ করা বলে অনেক আফগান ধারণা করতে পারেন।’

একইসঙ্গে সেনা প্রত্যাহার মানে দেশটি ত্যাগ করা নয় বলে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনী বার বার বলে আসছে। কিন্তু বিষয়টি জটিলতার সৃষ্টি করছে বলে উল্লেখ করেন আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জালমাই র‌্যাসোল।

বিষয়টিকে আরও সহজ করে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঙ্কো ফ্রাতিনি বলেন, ‘আমাদের বরং প্রস্থান কৌশল নিয়ে কথা না বলাই উচিত।’

বাংলাদেশ স্থানীয় সময়: ১৭৫৪ ঘন্টা, অক্টোবর ২০, ২০১০

        ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa
db 2010-10-20 08:31:17