ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ বৈশাখ ১৪৩১, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৫

ভারত

মুখ্যমন্ত্রী সুসংহত শস্য ব্যবস্থাপনায় ধান চাষ করে খুশি ত্রিপুরার চাষিরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৫৪ ঘণ্টা, আগস্ট ৩১, ২০২৩
মুখ্যমন্ত্রী সুসংহত শস্য ব্যবস্থাপনায় ধান চাষ করে খুশি ত্রিপুরার চাষিরা

আগরতলা (ত্রিপুরা): আমন ধান চাষের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ বছর ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে ‘মুখ্যমন্ত্রী সুসংহত শস্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ প্রকল্প গ্রহণ করেছে।  

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ত্রিপুরা সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্যজুড়ে এ বছর আমন ধানের উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের।

সেই সঙ্গে আশায় বুক বাঁধছেন চাষিরাও।

এই প্রকল্পের জন্য এই মৌসুমে পশ্চিম জেলার অন্তর্গত মোহনপুর কৃষি মহকুমার অন্তর্গত বিস্তীর্ণ মাঠের হেক্টরের পর হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল সবুজ আমন ধান গাছ হাওয়ার তালে দুলছে।  

মোহনপুর কৃষি মহকুমার উপ পরিচালক দেবব্রত পাল বাংলানিউজকে বলেন, রাজ্য সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে আমন ধান চাষের জন্য ‘মুখ্যমন্ত্রী সুসংহত শস্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে রাজ্যজুড়ে। যেসব চাষি ২০দিন বয়সী আমন ধানের চারা লাইনে মাত্র একটি লাগিয়েছেন তাদেরকে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তর থেকে বিঘা পিছু আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ৬ কেজি ইউরিয়া সার, প্রায় ৮ কেজি এস এস পি, ২ কেজি এমওপি সার দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে জৈব সার ও জৈব বালাই নাশক পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যেসব চাষি মুখ্যমন্ত্রী সুসংহত শস্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার নির্দেশাবলি মেনে জমিতে ধান লাগিয়েছেন তাদের গাছের বৃদ্ধি খুব ভালো হয়েছে। ফসলের রোগ-পোকার আক্রমণ কম দেখা যাচ্ছে। এর ফলে ধানের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন চাষিরা। এর ফলে ধান চাষিদের মধ্যেও খুশি বিরাজ করছে। মোহনপুর কৃষি মহকুমাতেই এই প্রকল্পে প্রায় ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে  সাড়ে ৪ হাজার কৃষক আমন ধান চাষ করছেন বলে জানান দেবব্রত পাল।

বিজয়নগরের ইন্দ্র কুমার সূত্রধর, সতেন্দ্র সূত্রধর হোক বা তারানগরের রতন দেবনাথ সকলের জমিতে এবার আমন ধান ফলছে মুখ্যমন্ত্রী সুসংহত শস্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অধীনে। এবছর ফসলের মাঠের চেহারা দেখে খুশি চাষিরা।  

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৮ ঘণ্টা, আগস্ট ৩১, ২০২৩
এসসিএন/এসএএইচ 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।