ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সিঙ্গাপুর

সিঙ্গাপুরে বিজয় দিবস উদযাপন

মো. আল আমিন হোসেন, সিঙ্গাপুর থেকে | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৫৬ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৫
সিঙ্গাপুরে বিজয় দিবস উদযাপন ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সিঙ্গাপুর: নানান আয়োজনে সিঙ্গাপুরে উদযাপিত হলো বাংলাদেশের ৪৫তম মহান বিজয় দিবস। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।



বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবস উপলক্ষে হাইকমিশনের আয়োজনে ছিলো- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মাহবুব-উজ্জ-জামান পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। পরে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, দেশের সুখ, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর খাজা মিয়া, কাউন্সিলর সামিয়া হালিম, নাজিম-উদ-দৌলা, মো. ফারুক হোসেন, আয়শা সিদ্দিকা শেলী, সাব্বির আহমেদ, আয়শা হক, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি মো. সাহিদুজ্জামান, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার বিডিচ্যামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাহারুল ইসলাম, বাংলা ইউনিভার্সেল সোসাইটির সভাপতি রণজিৎ চন্দ্র সাহা, বিমান বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার দিলীপ কুমার চৌধুরী, এসবিএসের সামাজ কল্যাণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, সুমি আক্তারসহ সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বিভিন্ন বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা- কর্মচারীরা।

সন্ধ্যায় শুরু হয় দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন। প্রথমে আলোচনা সভা, পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সভার শুরুতেই বিজয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

এরপর মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটির সহ-সভাপতি নুরুল করিম, সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বারের সভাপতি মীর্জা গোলাম সবুর, সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর খাজা মিয়া ও হাইকমিশনার মাহবুব-উজ্জ-জামান।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে শোষণের শিকার এ জাতির মুক্তির একমাত্র পথ স্বাধীনতা। দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জাতির বিজয়ের যে আকাঙ্ক্ষা, তা পূরণে শেখ মুজিবের বীরোচিত ভূমিকা ছিলো।

৩০ লাখ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এ বিজয়ের মূল চেতনা ধরে রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব বলেও মনে করেন বক্তারা।

সমাপনী বক্তৃতায় হাইকমিশনার মাহবুব-উজ্জ-জামান বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা একটি সোনার বাংলাদেশ পেয়েছি। মুক্তিযুদ্ধে আমার বাবাও শহীদ হন। ’৭৫ পরবর্তীতে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। সুতরাং, সঠিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সবশেষে স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কবি শাহরিয়ার খালিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশাত্মবোধক গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করেন সুজতি শাজনীন, দলীয় ও একক সঙ্গীত গেয়ে শোনান শিল্পী মিলিয়া ইসলাম সাবেদ, আদনান আহমেদ আনসারি, জাকির হোসেন, জাহিরুল হাসান, মঞ্জুরুল মান্নান ও জাহানারা বেবি। তবলায় ছিলেন জীবন মিত্র।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫২ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৫
এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa