ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ৩০ মে ২০২৪, ২১ জিলকদ ১৪৪৫

শেয়ারবাজার

ব্যবসা সম্প্রসারণে পুঁজিবাজারে আসছে প্যাসিফিক ডেনিমস

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১০০৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ২০, ২০১৬
ব্যবসা সম্প্রসারণে পুঁজিবাজারে আসছে প্যাসিফিক ডেনিমস

ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করতে যাচ্ছে বস্ত্র খাতের প্যাসিফিক ডেনিমস। এজন্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু করবে কোম্পানিটি। যা ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ঢাকা: ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করতে যাচ্ছে বস্ত্র খাতের প্যাসিফিক ডেনিমস।

এজন্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু করবে কোম্পানিটি।

যা ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

রোববার (২০ নভেম্বর) কোম্পানির সচিব মো. সোরহাব আলী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্যাসিফিক ডেনিমস মূলত ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্যে পুঁজিবাজার থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। যাতে আইপিও পরবর্তীতে কোম্পানির উৎপাদন বাড়বে ২৫ শতাংশ। ’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় প্যাসিফিক ডেনিমসের কারখানা অবস্থিত। সেখানকার প্রায় ৩০০ বিঘা জমির কিছু অংশের উপর নির্মিত হেয়ছে কারখানা। তবে এখনও কারখানাটির সামনে-পেছনে অধিকাংশ জমি খালি পড়ে আছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে কারখানাটিতে তিন শিফটে প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। বর্তমানে প্রতি মাসে এর উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১০-১১ লাখ গজ কাপড়।

পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের পর মাসে ১৮-২০ লাখ গজ কাপড় উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কোম্পানি সূত্র বলছে, শতভাগ রফতানিকারক প্যাসিফিক ডেনিমস সর্বশেষ ২০১৫ সালে ১৬৮ কোটি ২৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি কর পরবর্তী প্রায় ১০ কোটি টাকা নিট মুনাফা বা শেয়ারপ্রতি ২.৬৩ টাকা আয় করে।

এ সময় কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয় ২ টাকা। ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটিতে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬.৪৩ টাকায়।

প্রাইভেট লিমিটেড হিসেবে ২০০৩ সালে গঠিত প্যাসিফিক ডেনিমস ২০০৭ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। পরে ২০১১ সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে র‍ূপান্তর হয়।

এর আগে ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির আইপিওতে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয়।

প্রতিটি শেয়ার অভিহিত মূল্য করা হয় ১০ টাকা। ৭ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ওই টাকা সংগ্রহ করা হবে।

সংগৃহীত টাকার ৪৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা দিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণ, ২৫ কোটি টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ ও ২ কোটি ৬ লাখ টাকা আইপিও ব্যয় নির্বাহ কাজে ব্যবহার করা হবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

 বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৮ ঘণ্টা,  নভেম্বর ২০, ২০১৬
এমএফআই/এমএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।