ঢাকা, শনিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৮ মে ২০২৪, ০৯ জিলকদ ১৪৪৫

শেয়ারবাজার

ডরিন পাওয়ারের মুনাফায় ধস

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬৫৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ৬, ২০১৬
ডরিন পাওয়ারের মুনাফায় ধস

ঢাকা: সদ্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের মুনাফা অর্ধেকে নেমেছে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫৮ কোটি টাকা উত্তোলনের এক মাস পরই শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কম দেখিয়েছে ডরিন পাওয়ার।

 

 
কোম্পানিটির চলতি বছরের প্রথমার্ধের আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

 

চলতি বছরের প্রথমার্ধে ডরিন পাওয়ারের অনিরীক্ষিত মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৭ শতাংশ কমেছে। নতুন সাবসিডিয়ারির ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়েই কোম্পানির মুনাফা কমেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অথচ আইপিওতে আসার আগেই বলা হয়েছিলো দুই মাসের মধ্যে কোম্পানিটি অনেক বেশি মুনাফা করবে।
 
কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে (প্রথমার্ধ) ডরিন পাওয়ারের নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আইপিও পরবর্তী শেয়ারসংখ্যার ভিত্তিতে প্রথমার্ধে কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ পয়সা, অক্টোবর-ডিসেম্বর (দ্বিতীয়) প্রান্তিকে যা দাঁড়িয়েছে ২২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৬৪ পয়সা।
 
অনিরীক্ষিত মুনাফা কমে যাওয়ার বিষয়ে ডরিন পাওয়ারের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আফরোজ আলম বাংলানিউজকে জানান, নতুন সাবসিডিয়ারি কোম্পানির উৎপাদন শুরু না হওয়ার কারণে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়েছে। এ কারণেই মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমে গেছে।

অথচ আইপিওতে আসার আগে তিনি বলেন, উৎপাদন শুরু না হওয়ার কারণে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি দু’টি লোকসানে রয়েছে। তবে আগামী ২ মাসের মধ্যে কোম্পানিগুলো মুনাফায় ফিরবে।

তিনি আশা করে বলেন, সাবসিডিয়ারির প্লান্টে উৎপাদন শুরু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
 
পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। লোকসানি কোম্পানির পরিবর্তে মুনাফায় থাকা কোম্পানিগুলোকে আইপিও অনুমোদন দেওয়া উচিত।
 
গত বছরের ৩০ নভেম্বর ডরিন পাওয়ারকে ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৯ টাকা বরাদ্দ মূল্যে ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এরপর ফেব্রুয়ারিতে আইপিও প্রস্তাব করে কোম্পানিটি। মাঝে অবশ্য একদল বিনিয়োগকারীর রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইপিও স্থগিত রাখতে হয়েছিল কোম্পানিটিকে।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৬৫০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৬, ২০১৬
এমআই/জেডএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।