ঢাকা, বুধবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৫ মে ২০২২, ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩

রাজনীতি

শেখ হাসিনার কারণে উত্তরবঙ্গে ‘মঙ্গা’ শব্দটি নিশ্চিহ্ন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮১৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৮, ২০২২
শেখ হাসিনার কারণে উত্তরবঙ্গে ‘মঙ্গা’ শব্দটি নিশ্চিহ্ন

ঢাকা: যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, অতীতের কোনো সরকার উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সরকারই উত্তরবঙ্গের মানুষের কথা চিন্তা করেন।

তাদের সুখ-শান্তি ও জীবনমান উন্নয়নের কথা ভাবেন। একমাত্র শেখ হাসিনার কারণেই উত্তরবঙ্গে ‘মঙ্গা’ শব্দটি আজ নিশ্চিহ্ন।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানী মডেল স্কুল মাঠে অসহায়-দুস্থ মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রায় ১০০০ অসহায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়। এছাড়া রংপুর বিভাগের নয়টি জেলা শাখার নেতাদের কাছে রংপুর অঞ্চলের শীতার্ত মানুষের জন্যও কম্বল হস্তান্তর করা হয়।

যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, সোনার বাংলা কায়েম করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের এ জানুয়ারি মাসেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এনেছিলেন। যেটা ‘দ্বিতীয় বিপ্লব’ হিসেবে পরিচিত। অনেকে ‘বাকশাল’ হিসেবেও জানে। কিন্তু আমরা ভুলে যাই এ দ্বিতীয় বিপ্লবের অন্তমূলের তাৎপর্য। এর মূলে ছিল মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় করা, ন্যায়পরায়ণ সমাজ ব্যবস্থা কায়েম ও মানবিকতা। আমরা চতুর্থ সংশোধনী বা বাকশাল নিয়ে কেউ কেউ বিব্রত বোধ করি, কেউ কেউ এড়িয়ে যেতে চাই। কিন্তু বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার বিষয় না। বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠন করার কারণও ব্যাখ্যা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস, সারা জীবন গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করলাম, কত জেল খাটলাম, আর এখন এক পার্টি করতে যাচ্ছি। ....আমি এটা চাইনি। বাধ্য হয়ে করতে হচ্ছে। অন্য কোনো পথ খোলা না দেখে আমি স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের নিয়ে সমমনাদের একটি রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে বাকশাল গঠন করেছি। আমি সমাজতন্ত্রবিরোধী, ধর্মনিরপেক্ষতাবিরোধী ও সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো দল বা ব্যক্তিকে বাকশালে নেব না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, মো. রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, মো. সোহেল পারভেজ, প্রফেসর ড. মো. রেজাউল কবির, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল প্রমুখ ৷

বাংলাদেশ সময়: ১৮১২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৮, ২০২২
এসকে/আরবি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
welcome-ad
Alexa