ঢাকা, বুধবার, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২

রাজনীতি

কোকোর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১২২২ ঘণ্টা, অক্টোবর ৩১, ২০১০
কোকোর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ঢাকা: বিদেশে অর্থপাচারের মামলায় বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রোববার দুপুর ১২ টায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোজাম্মেল হোসেন এ আদেশ দেন।


 
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন কাজল।

আগামী ৩০ নভেম্বর অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

শুনানিতে সরকার পক্ষের আইনজীবীরা জানান, আরাফাত রহমান সরকারের নির্বাহী আদেশে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন। সরকার ১৯ আগস্ট তার প্যারোল বাতিল করেছেন। কোকোর প্যারোল বৃদ্ধি করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ সুপ্রীমকোর্ট স্থগিত করেছেন। তারা কোকোর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।
 
কোকোর আইনজীবীরা আবেদনে বলেন, আরাফাত রহমান কোকো গুরুতর অসুস্থ। সুপ্রিমকোর্ট তার প্যারোল স্থগিত করলে গত ২০ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সচিবের কাজে আবেদন করা হয়।

তার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শুনানি স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়।
 
আদালত শুনানি শেষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ৩০ নভেম্বর অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

কোকোর সিঙ্গাপুরে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদনও অভিযোগ গঠনের পর শুনানি করতে নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার অপর আসামি সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন পলাতক আছেন।
 
গত বছরের ১৭ মার্চ রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. আবু সাঈদ।
মামলাটি তদন্ত করে গত ১২ নভেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা আরাফাত রহমান কোকো ও সায়মনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
 
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আরাফাত রহমান কোকো অপর আসামি সায়মনের সহায়তায় অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থের উৎস গোপন ও আড়াল করার জন্য ২৮ লাখ ৮৪ হাজার ৬০৩ সিঙ্গাপুরি ডলার এবং ৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৭২ মার্কিন ডলার অবৈধ উপায়ে কৌশলে বিদেশে পাচার করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অ্যাডভোকেট রেজাউর রহমান, মহানগর সরকারী কৌঁসুলি মো. আব্দুল্লাহ আবু, জেলা সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার আব্দুল মান্নান খান, বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি মোশারফ হোসেন কাজলসহ অর্ধশতাধিত আইনজীবী।

কোকোর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ঢাকা বারের সভাপতি সানাউল্লাহ মিয়া, খোরশেদ আলম, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ ও জয়নুল আবেদীন মেজবাহসহ অর্ধশতাধিক আইনজীবী।    

বাংলাদেশ সময়: ১২১০ ঘণ্টা, অক্টোবর ৩১, ২০১০

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa