ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ মাঘ ১৪২৭, ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

অপার মহিমার রমজান

সিলেটে ফিতরা সর্বনিম্ন ৫৫, সর্বোচ্চ ১১৫৫ টাকা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৫৩২ ঘণ্টা, মে ২৮, ২০১৮
সিলেটে ফিতরা সর্বনিম্ন ৫৫, সর্বোচ্চ ১১৫৫ টাকা

সিলেট: সিলেট শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য সর্বনিম্ন ৫৫, মধ্যম ৪৯৫ ও সর্বোচ্চ ১১৫৫ টাকা ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ করেছে জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর শাখা।

সোমবার (২৮ মে) বিকেলে নগরের মধুবন কার্যালয়ে ‘দরিদ্র বিমোচনে যাকাত-ফিতরার ভূমিকা ও স্থানীয়ভাবে ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ’ শীর্ষক সেমিনারে এতথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে ফিতরায় ওজনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।

কিসমিস ও খেজুর ৩ হাজার ৩০০ গ্রাম, যা শরীয়তে ১ সা আটা। যব নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৬৫০ গ্রাম, যা শরীয়তে অর্ধসা।

সিলেটের মুফতীয়ানে কেরাম, উলামা মাশায়েখ, ব্যবসায়ী নেতা ও ইমাম-খতিবদের উপস্থিতিতে রোববার (২৭ মে) শহরের বিভিন্ন খুচরা বাজার যাচাই করে আটা ১ হাজার ৬৫০ গ্রাম, খেজুর ও কিসমিস ৩ হাজার ৩০০ গ্রামের মধ্যম কোয়ালিটি মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় বলে জানান ইমাম সমিতির নেতারা।

ইমাম সমিতির উপদেষ্টা দরগাহ মাদরাসার শায়খুল হাদীস মাওলানা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী সিলেট শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ফিতরার পরিমাণ ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দারিদ্র বিমোচনে যাকাত ফিতরার গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামের এ সুমহান আদর্শের মাধ্যমে যথাযথভাবে যাকাত-ফিতরা দিলে আমাদের দেশে গরিব থাকার কথা নয়।

সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাবের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান সিদ্ধান্ত দানকারী দরগাহে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি বলেন, ফিতরা গরিব অসহায়দের ধনীদের পক্ষ থেকে দেয়া হয়। এটা কোনও দয়া বা অনুকম্পা নয়। ধনীদের সম্পদের গরিবদের প্রাপ্য অধিকার।

বক্তারা বলেন, ফিতরায় মুদ্রামূল্য নিজ নিজ এলাকার বাজারের দ্রব্যমূল্য অনুসারে দিতে হয়। কিসমিস, খেজুর, যব, আটার মাধ্যমে ফিতরা দেয়া উত্তম। তবে কেউ যদি এর পরিবর্তে নগদ টাকা বা অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী বা পরিধেয় বস্ত্র কিনে দেন, তাতেও কোনো সমস্যা নেই।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, কুদরত উল্লাহ মার্কেটের ব্যবসায়ী মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মুফতি মাওলানা আব্দুল মুছাব্বির, দরগাহ মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষা সচিব মুফতি আতাউল হক জালালবাদী, হযরত শাহজালার ডিওয়াই কামিল মাদ্রাসার মুফতি উপাধ্যক্ষ আবুল সারেহ কুতবুল আলম, জামেয়াতুল খায়ের আল ইসলামী সিলেটের মুফতি মাওলানা জমির উদ্দিন,

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মুফতি রশিদ আহমদ, দারুসসালাম খাসদবির মাদ্রাসার মুফতি মুহাম্মদ যাকারিয়া, ইমাম সমিতির জেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ এহসান উদ্দিন, শিবগঞ্জ মাদ্রাসার মাওলানা আসরারুল হক, কুদতর উল্লাহ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দিন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দিন ভূঁইয়া, ইমাম সমিতির সহ সভাপতি কারী মাওলানা শহীদ আহমদ, মুফতি মাওলানা বুরহান উদ্দিন, মাওলানা নূর উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।
 
বাংলাদেশ সময়: ২১২৫ ঘণ্টা, মে ২৮, ২০১৮
এনইউ/আরবি/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa