ঢাকা, শনিবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২৫ মে ২০২৪, ১৬ জিলকদ ১৪৪৫

অফবিট

মিল্কিওয়েতে ‘সুপ্রাচীন নক্ষত্র-পরিবার’!

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১২৪ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৮, ২০১৬
মিল্কিওয়েতে ‘সুপ্রাচীন নক্ষত্র-পরিবার’!

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মিল্কিওয়েতে সুপ্রাচীন এক নক্ষত্র-পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন। তাদের ধারণা, এই নক্ষত্রগুলোই হয়তো আমাদের গ্যালাক্সির সবচেয়ে প্রাচীন নক্ষত্র। তাদের এ ধারণা সত্য হলে এগুলো আমাদের গ্যালাক্সির গঠন ও বিকাশের ওপর জোগাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মিল্কিওয়েতে সুপ্রাচীন এক নক্ষত্র-পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন। তাদের ধারণা, এই নক্ষত্রগুলোই হয়তো আমাদের গ্যালাক্সির সবচেয়ে প্রাচীন নক্ষত্র।

তাদের এ ধারণা সত্য হলে এগুলো আমাদের গ্যালাক্সির গঠন ও বিকাশের ওপর জোগাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

নাইট্রোজেন গ্যাস-সমৃদ্ধ এই তারকামণ্ডলের অবস্থান মিল্কিওয়ের ঠিক কেন্দ্রস্থলে।

অ্যাপাচি পয়েন্ট অবজারভেটরি গ্যালাকটিক ইভল্যুশন এক্সপেরিমেন্ট (APOGEE) নামের একটি প্রকল্পে কর্মরত একদল জ্যোতির্বিজ্ঞানী সুপ্রাচীন এই তারকা পরিবারটি খুঁজে পাওয়ার কথা জানান গত ২২ নভেম্বর।
 
 
‘New Family Of Ancient Stars Discovered’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে www.yahoo.com জানিয়েছে এ খবর।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক যুক্তরাজ্যের লিভারপুলের জন মুরস বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতিপদার্থবিদ রিকার্দো শিয়াভন এ ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি এই আবিষ্কারকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও চমকপ্রদ বলে অভিহিত করেন।

তার মতে, এই আবিষ্কার বেশ কিছু জটিল প্রশ্নের সমাধানের পথ খুঁজতে সহায়ক হবে। যেমন, মিল্কিওয়ের গভীর কেন্দ্রস্থলের তারাদের প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য কি, গোলাকার তারকামণ্ডল কিভাবে গঠিত হলো এবং আদিতে মিল্কিওয়ের জন্মের ব্যাপারে এসব তারকা কি ভূমিকা রেখেছিল- এ রকম বহু জটিল প্রশ্নের জবাব পেতে এই আবিষ্কারটি সহায়ক হবে।

এছাড়া মিল্কিওয়ের ক্রমপ্রসারণের মধ্য দিয়ে কিভাবে অন্যসব গ্যালাক্সির জন্ম সেসব প্রশ্নের জবাবও হয়তো মিলবে।

বাংলাদেশ সময়: ০৭২০ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৮, ২০১৬
জেএম/এএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।