ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২১ মে ২০২৪, ১২ জিলকদ ১৪৪৫

অফবিট

পৃথিবীর বৃহত্তম মাকড়সাদের বাস গুহায়!

| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১০৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৮, ২০১৬
পৃথিবীর বৃহত্তম মাকড়সাদের বাস গুহায়!

অধিকাংশ প্রজাতির মাকড়সা মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার লম্বা হয়। কিন্তু কয়েক প্রজাতির আকার অনেক বড় হয়ে থাকে। পৃথিবীর বৃহত্তম মাকড়সাগুলোর মধ্যে আছে- এশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার দৈত্য শিকারি মাকড়সা, ইউরোপের নেকড়ে মাকড়সা ডেজেরটা, আফ্রিকার রাজা বেবুন বিষাক্ত মাকড়সা, দক্ষিণ আমেরিকার দানব পাখিখাদক মাকড়সা গোলিয়াথ।

অধিকাংশ প্রজাতির মাকড়সা মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার লম্বা হয়। কিন্তু কয়েক প্রজাতির আকার অনেক বড় হয়ে থাকে।

পৃথিবীর বৃহত্তম মাকড়সাগুলোর মধ্যে আছে- এশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার দৈত্য শিকারি মাকড়সা, ইউরোপের নেকড়ে মাকড়সা ডেজেরটা, আফ্রিকার রাজা বেবুন বিষাক্ত মাকড়সা, দক্ষিণ আমেরিকার দানব পাখিখাদক মাকড়সা গোলিয়াথ।

এসব প্রজাতির মাকড়সা কাল্পনিক অভিমানী মাকড়সাদের মতো গুহায় বসবাস করে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাকড়সা এশিয়ার দৈত্য শিকারি মাকড়সা, যার আকার ৩০ সেমি (১ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে। এর এক বিঘতের একটি পা আছে। অস্ট্রেলিয়ায়ও বড় আকারের শিকারি মাকড়সা আছে, যারা সাধারণত আলগা গাছের বাকলের আড়ালে থাকে।
 
ছোঁ দিয়ে শিকার ধরে খায় বলে হিংস্র এসব মাকড়সার নামকরণ করা হয়েছে শিকারি মাকড়সা।
২০০১ সালে লাওসে শিকারি মাকড়সার নির্জন বাসস্থান খুঁজে বের করেন প্রাণীবিজ্ঞানী পিটার জ্যাগার। তবে এর আগে ফ্রান্সের প্যারিস ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে এ প্রজাতির একটি সংগ্রহ আবিষ্কৃত হয়।
 
‘কেন এটির আকার এতো বাড়ে, সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রহস্যই রয়ে গেছে’- বলেন পিটার জ্যাগার।

ইউরোপের নেকড়ে মাকড়সা ডেজেরটা শুধুমাত্র পর্তুগালের মাদেইরাতে দ্বীপের একটি উপত্যকায় পাওয়া যায়। এটি ১.৬ ইঞ্চি (৪ সেমি) পর্যন্ত হয়। সাদা ফুটকিওয়ালা স্বাতন্ত্র্যসূচক কালো পায়ের এ মাকড়সা বিশ্বের বৃহত্তম নেকড়ে মাকড়সাদের একটি। এর এক সারিতে চারটি ছোট চোখ আছে। ওপরের চোখ দু’টি বড়, অন্য দু’টি সামান্য কম বেশি। তবে নেকড়ে মাকড়সার চমৎকার দৃষ্টিশক্তি দ্রুতগামী বিটল এমনকি ছোট টিকটিকিকে খুঁজে বের করতে সক্ষম। তবে এর অনন্য আবাসস্থল শিকারিদের আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে ঘাসের বৃদ্ধিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই বিপন্ন প্রাণীদের তালিকায় চলে যাচ্ছে ডেজেরটা।

বাংলাদেশ সময়: ০৭০০ ঘণ্টা, নভেম্বর ২৮, ২০১৬
এএসআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।