ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৪ মে ২০২২, ২২ শাওয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

নীলফামারীতে বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮৩৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৮, ২০২২
নীলফামারীতে বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ ছবি: বাংলানিউজ

নীলফামারী: নীলফামারীর ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা কমে যাওয়ার পাশাপাশি হিমেল বাতাস আর হালকা কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সৈয়দপুর বিমানবন্দর আহাওয়া অফিস সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এদিকে একই সময়ে ডিমলা আবহাওয়া অফিস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হাড় কাঁপানো শীতে ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। দিনভর আগুনের উত্তাপ নিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন গ্রামের মানুষজন।

দুপুরে শহরের পাঁচমাথা মোড়ের অটোচালক আসলাম মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, সকালে রোদ দেখে শহরে এসেছি, কিন্তু এখন আকাশ মেঘলা ও হালকা কুয়াশা পড়ছে। ঠান্ডায় অটো চালাতে কষ্ট হচ্ছে। দুপুরের পর থেকে হিমেল বাতাসে শীত বাড়ছে, তাই সড়কে মানুষজনও কমে গেছে। এমন তীব্র ঠান্ডা এ বছরের মধ্যে আজকেই প্রথম।

জেলা শহরের নিউবাবুপাড়ার মাছ ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, রাত থেকে প্রচন্ড শীত আর ঠান্ডা বাতাস বইছে। আড়তে মাছ নিয়ে ব্যবসা করা মুসকিল হয়ে পড়েছে। ঠান্ডায় হাত বরফ হয়ে যাচ্ছে। আড়তে একেবারে বেচাকোনা শুন্যের কোটায়। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসীয়দের।

সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের কৃষি শ্রমিক জহির উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, এই ঠান্ডায় জমির মালিক কাজে নিচ্ছেন না, কাজ কম হলেও হাজিরাতো দিতে হবে। এই ভয়ে কাজ করাচ্ছেন না। এই অবস্থা চলতে থাকলে ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের সদস্যেদের উপোস থাকতে হবে।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ লোকমান হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, চলতি শীত মৌসুমে শুক্রবার নীলফামারী জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। হিমেল বাতাসের প্রভাব ও গতিবেগের কারণে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে আজ।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৩৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৮, ২০২২
জেডএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa