ঢাকা, শনিবার, ১ কার্তিক ১৪২৮, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

জাতীয়

নিজ বাড়িতে সন্তানের নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধ মা!

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০০৩৯ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
নিজ বাড়িতে সন্তানের নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধ মা! নির্যাতনের শিকার বাবা-মা

শ্রীপুর (গাজীপুর): নিজ বাড়িতে সন্তানের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আনোয়ারা নামে ষাটোর্ধ্ব এক নারী। গত ১৩ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় থানায় বিচার চাইতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার নয়দিন অতিবাহিত হলেও ঘটনা তদন্তে আসেনি কোনো পুলিশ।  

এদিকে থানায় অভিযোগ দেওয়ার কথা জানাজানি হলে নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় নির্যাতনকারী সন্তান আব্দুর রব।

নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধ মা বলেন, ছেলের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আজ নয়দিন পার হলেও কোনো খোঁজ নিতে পুলিশ আসেনি। এদিকে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে ছেলের নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়েছে।  

ভুক্তভোগী নারী আনোয়ারা শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. মোসলেম উদ্দিনের স্ত্রী। অভিযুক্ত আব্দুর রব ভুক্তভোগী আনোয়ারার ঔরসজাত সন্তান।

থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্র জানা যায়, ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার সময় সামান্য কথা-কাটাকাটি হয় অভিযুক্ত আব্দুর রবের সঙ্গে। একপর্যায়ে আব্দুর রব মা আনোয়ারাকে খাটের সঙ্গে বেঁধে মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে নির্যাতন করেন। তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন।

কথা হয় নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ছেলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমাদের মারধর শুরু করে। কোনো উপায় না পেয়ে থানায় আসছি। কিন্তু এতদিন হয়ে গেল পুলিশ আসেনি। বিচার না পেলে আত্মহত্যা ছাড়া আমাদের আর কোনো রাস্তা খোলা থাকবে না। আজও থানায় আসছি বিচার চাইতে।

অভিযুক্ত ছেলে আব্দুর রবের ব্যক্তিগত নাম্বারে একাধিক বার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁইয়া বাংলানিউজকে বলেন, অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব কোন পুলিশকে দেওয়া হয়েছে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

বাংলাদেশ সময়: ০০৩৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Alexa